সুনামগঞ্জ , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ , ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
“ত্রাণ চাই না, বসতভিটা রক্ষায় স্থায়ী সমাধান চাই” প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট আয়োজনে সভা ২৮ জুলাই থেকে নৌ-পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা শিশুশ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার নির্মাণের ৬ বছরেই নষ্ট ৮ খাদ্যগুদামের ছাদ আধুনিক সেনাবাহিনী গড়তে মেধা-শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলনের জন্য ডাক আসবে, ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে চলতি বছরে পানিতে ডুবে ঝরেছে ৫২৬ শিশুর প্রাণ, থামবে কীভাবে জামায়াত জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস নাসরিন সুলতানা মেধাবৃত্তি বিতরণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কাঁচা মরিচের ‘ঝালে’ নাকাল ক্রেতা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা প্রখর রোদেও থামে না জীবনসংগ্রাম জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : শফিকুর রহমান গাজী সিনড্রোম এবং তার পেছনের মনস্তত্ত্ব অয়নৃত্য’র ৩য় বর্ষপূর্তি ও বর্ষা উৎসব ‘নীল নবঘনে’ নৃত্য-সুরে বর্ষার বন্দনা, মুগ্ধ দর্শক বৃক্ষরোপণই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কার্যকর উপায়: এমপি নূরুল ইসলাম নূরুল বিনামূল্যে অর্ধেক ভাগ না দেয়ায় জলমহাল দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ দুই দশক পর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ

হাওরাঞ্চলের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, কোন খাতে কত

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৬ ০৯:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৬ ০৯:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন
হাওরাঞ্চলের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, কোন খাতে কত
স্টাফ রিপোর্টার :: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন, তাতে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরাঞ্চলের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দের প্রস্তাবনা রাখা হয়েছে। অবকাঠামো, শিক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা একাধিক খাতে এ অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট সংশ্লিষ্ট নথিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ বরাদ্দ অবকাঠামোতে : হাওরের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে যোগাযোগ অবকাঠামোতে এবার সর্বোচ্চ মূলধন বিনিয়োগ রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ‘হাওর এলাকা এলিভেটেড রোড অ্যান্ড ফিজিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (১ম সংশোধিত)’-এর জন্য ২৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালের বন্যায় সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪২০ কোটি ৬২ লাখ টাকা। সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর ও ছাতক উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১৯ কোটি এবং মহাসিং নদীর উপর পাগলা সেতু নির্মাণে ১ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে বাজেটের পেশ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যা-সহনশীল বিনিয়োগ : হাওরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্যা-সহনশীল করে গড়ে তুলতে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়নে ১৩০ কোটি এবং হাওরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো উন্নয়নে আরও ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু অভিযোজনে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন : পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পগুলোতে বড় অংশ আসছে বৈদেশিক অনুদান থেকে। জিইএফ ও ইউএনডিপির অর্থায়নে কমিউনিটি-বেসড ম্যানেজমেন্ট অব টাংগুয়ার হাওর ওয়েটল্যান্ড ইকোসিস্টেম শীর্ষক প্রকল্পে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরেন্দ্র ও হাওর অঞ্চলের খরা মোকাবিলায় ‘ইকোসিস্টেম-বেসড অ্যাপ্রোচেস টু অ্যাডাপটেশন (ইবিএ)’ প্রকল্পে ৬ কোটি ২ লাখ ২৩ হাজার ডলার বা প্রায় ৭৩৪ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর বাইরে অ্যাডাপটেশন ফান্ডের আওতায় হাওরে স্থানীয়ভাবে পরিচালিত আবাসন সমাধান প্রকল্পে ৫০ লাখ ডলার বা প্রায় ৬১ কোটি টাকার পাইপলাইন প্রকল্প রয়েছে বলে বাজেট দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা ও জীবিকায়ন কর্মসূচি : চর, হাওর ও অনগ্রসর এলাকার উন্নয়নে ‘বিশেষ অনুদান’ খাতে ৫০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ‘সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি’র আওতায় ২৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে চর ও হাওরাঞ্চলের বাসিন্দাদের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবায়। মৎস্যজীবীদের জন্য ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) সুবিধা এবার হাওর ও সুন্দরবন এলাকায় সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সারা দেশে ১৫ লাখ মৎস্যজীবী পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে। কৃষি, মৎস্য ও পানিস¤পদ : কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণার হাওরে ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পে ৩০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সুনামগঞ্জের দিরাইতে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণে ৯ কোটি ২ লাখ এবং হাওর অঞ্চলে বৃহত্তর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র স্থাপনে ৭০ লাখ ডলার বা প্রায় ৮৫ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার বন্যা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত পানিস¤পদ উন্নয়নে প্রথম পর্যায়ে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে বাজেট নথি থেকে জানা গেছে। টেকসই উন্নয়নের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি : বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের জনগণের টেকসই উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে টেকসই কৃষি ও মৎস্য চাষ, হাঁস পালন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অঞ্চলটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নির্মাণের ৬ বছরেই নষ্ট ৮ খাদ্যগুদামের ছাদ

নির্মাণের ৬ বছরেই নষ্ট ৮ খাদ্যগুদামের ছাদ