সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে গালিগালাজ-হেনস্তা দুর্গাপূজায় ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং, টানা পাঁচ দিনের ছুটি ৯ মাসে ৯৩১ কোটি টাকার মাদক-চোরাচালান জব্দ আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত ডায়রিয়া-চর্মরোগে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি চলন্ত নৌযান থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র নামে টোল-ট্যাক্স আদায় করা যাবে না : অতিরিক্ত পরিচালক জেলার ৪৪৪ মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা, থাকবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ৮ দফা দাবিতে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের স্মারকলিপি প্রদান শান্তিগঞ্জে চার লেনের কাজ ফের শুরু সিলেট-সুনামগঞ্জ-মোহনগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়নের দাবি ‎জামালগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে ক্রাশার মিল মালিক ও নৌযান শ্রমিকদের সঙ্গে প্রশাসনের সভা শান্তিগঞ্জে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সব সরকারি দপ্তরের ওয়েব পোর্টালে শতভাগ তথ্য হালনাগাদের আহ্বান জামায়াতকে বিশ্বাস করলে বিএনপি ভুল করবে : ফজলুর রহমান চালু হচ্ছে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার হাওরাঞ্চলে শিক্ষার সংকট ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার নৈরাজ্য-সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত বিআইডব্লিউটিএ’র নামে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবি

নির্মাণের ১০ বছরেও চালু হয়নি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুল, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ

  • আপলোড সময় : ০৩-০৭-২০২৬ ০৯:২১:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-০৭-২০২৬ ০৯:২২:০১ পূর্বাহ্ন
নির্মাণের ১০ বছরেও চালু হয়নি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুল, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ
বিশেষ প্রতিনিধি::
নির্মাণের এক দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের একমাত্র সরকারি সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। ফলে এ অঞ্চলের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুরা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিদ্যালয় ভবন থাকলেও শিক্ষার্থী না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে পুরো অবকাঠামো। অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি টাকার স¤পদ। শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের উজানীগাঁও গ্রামে ২০১৬ সালে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই বিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হয়। এখানে রয়েছে অফিস কক্ষ, রান্নাঘর, ডাইনিং হল এবং আবাসিক সুবিধা। তবে নির্মাণ শেষ হলেও আজ পর্যন্ত চালু হয়নি শিক্ষা কার্যক্রম। ফলে পুরো স্থাপনাটি এখন কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিনের অবহেলায় ভবনের দেয়ালের রং খসে পড়েছে, বিভিন্ন অংশে জীর্ণতার ছাপ ¯পষ্ট। সংরক্ষিত আসবাবপত্র ও শিক্ষাসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর ভবনের নিচতলার অরক্ষিত অংশে জুয়াড়ি ও মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। যদিও এ থেকে বিরত থাকতে দেয়ালে সতর্কীকরণ পোস্টার টানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, উদ্যোগ থাকলেও বাস্তবায়নের অভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুরা এখনো শিক্ষার বাইরে রয়ে গেছে। দ্রুত বিদ্যালয়টি চালুর দাবি তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, এত বড় একটা স্কুল তৈরি হলো, কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। আমাদের এলাকার অনেক প্রতিবন্ধী শিশু আছে, তারা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত চালু করা উচিত। আরেক বাসিন্দা মছকু মিয়া বলেন, সরকার কোটি টাকা খরচ করে ভবন বানিয়েছে, কিন্তু ব্যবহার না হওয়ায় এখন নষ্ট হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। সচেতনমহলের মতে, পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। তারা বলছেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, প্রয়োজন যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থী সংগ্রহে কার্যকর উদ্যোগ। এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার লিমা জানান, শিক্ষার্থী সংকটের কারণেই কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। ভর্তির জন্য একাধিকবার পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি। তবে দ্রুত বিদ্যালয়টি চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি

যাদুকাটা নদীতে ‘খাস কালেকশনের’ নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি