সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬ , ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সব হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ হাইকোর্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত সুরমা নদীর পাড় যেন ময়লার ভাগাড় সুরমা নদীর ভাঙন অব্যাহত : অস্তিত্ব সংকটে বাউসা-কেশবপুর গ্রাম বেহাল সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল একটি কলেজের অভাবে অনিশ্চয়তায় হাওরের শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন থামে মাধ্যমিকেই পাল্টা সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের প্রতিপক্ষের সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস সুনামগঞ্জে গ্যাস সংকট চুলা জ্বলে না, পাম্পে দীর্ঘ লাইন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালাল চক্র সদর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন ৫ আগস্ট ঘিরে তৎপরতা চালানোর মুরোদ আওয়ামী লীগের নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎সুনামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা: নাদের, পলিন, রিপন-দীপঙ্করসহ ৪৮ জন আসামি পূবালী ব্যাংকের ইলেক্ট্রনিক বুথ ও সেল্ফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধন ও স্বত্ব ফেরতের দাবি হাওরে স্কুলযাত্রায় জীবনের ঝুঁকি, নিরাপদ নৌযান এখনো অধরা ১৬১৩ শিক্ষকের পদ শূন্য, ৪৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক মইয়ার হাওরে নৌকাডুবিতে নিহত ২, নিখোঁজ ২, ভবানীপুরে শোকের মাতম জামালগঞ্জে হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

সুরমা নদীর পাড় যেন ময়লার ভাগাড়

  • আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৭:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৭:৩০:১৯ পূর্বাহ্ন
সুরমা নদীর পাড় যেন ময়লার ভাগাড়
স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ শহরের পাইকারি সবজি বাজার ও কিচেন মার্কেটে বর্জ্য অপসারণের জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় সুরমা নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। এতে যেমন নদীর পানি দূষিত হচ্ছে, তেমনই দুর্গন্ধ ও মাছি ছড়িয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতার ন্যূনতম ব্যবস্থা না থাকায় পাইকারি সবজি বাজার ও কিচেন মার্কেট থেকে প্রতিদিন অপসারিত বর্জ্য সরাসরি সুরমা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। নদীর কিনারে বর্জ্যরে স্তূপ জমে থাকার পাশাপাশি বহু বর্জ্য ভেসে যাচ্ছে নদীর স্বচ্ছ পানিতে। ময়লার আশপাশেই রয়েছে বেশ কয়েকটি চায়ের দোকান ও ভাতের হোটেল। ফলে বাধ্য হয়েই দুর্গন্ধের মধ্যে খাবার খেতে হচ্ছে মানুষজনকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৌরসভা থেকে ময়লা ফেলার জন্য কোনো ডাস্টবিন দেওয়া হয়নি। আমরা বাধ্য হয়েই নদীর পাড়ে ময়লা ফেলছি। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন থাকলে তো আর কেউ নদীতে ময়লা ফেলত না। মাংস কিনতে আসা ক্রেতা আনোয়ার মিয়া বলেন, এখানে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় দোকানীরা নদীর পাড়েই ময়লা-আবর্জনা ফেলে, এমনকি অনেকে সেখানে প্রাকৃতিক কাজও সারেন। এতে তীব্র দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, যে নদীতে ময়লা ভাসছে, সেই সুরমার পানিই স্থানীয় অনেক মানুষ গোসল ও গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করছেন। পৌরসভা যদি বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে দ্রুত ডাস্টবিন বসায় এবং প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে, তবেই এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সুরমা নদীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জলধারা রক্ষা ও বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ চান স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। শহরের ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মতিন বলেন, সুরমা নদীরে ঘাটে ঘাটে ময়লার ভাগাড়। অসচেতন লোকজন ময়লা-আবর্জনা ফেলে সুরমা নদীকে তিলে তিলে মেরে ফেলছে। আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে সুরমা নদীকে রক্ষা করতে হবে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। বিষয়টি নিয়ে সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কালি কৃষ্ণ পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সুরমা নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ ও পানির ক্ষতি করার বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাইকারি সবজি বাজার ও কিচেন মার্কেট এলাকায় পর্যাপ্ত ডাস্টবিন বা নির্দিষ্ট ‘ওয়েস্ট বিন’ স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে প্রতিদিনের বর্জ্য যেন প্রতিদিনই অপসারণ করা হয়, সে বিষয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কড়া নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সুরমা নদী আমাদের সম্পদ, নদী দূষণ রোধে পৌরসভা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত