সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ , ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিসের হাসিনা, তার চেহারা কি দেখা গেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারত সমর্থন করে না : জয়সওয়াল তাহিরপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় দিরাই-শাল্লার উন্নয়ন করতে চাই : এমপি নাছির চৌধুরী গ্রামেগঞ্জে ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিং, ক্ষুব্ধ গ্রাহক সব হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ হাইকোর্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত সুরমা নদীর পাড় যেন ময়লার ভাগাড় সুরমা নদীর ভাঙন অব্যাহত : অস্তিত্ব সংকটে বাউসা-কেশবপুর গ্রাম বেহাল সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল একটি কলেজের অভাবে অনিশ্চয়তায় হাওরের শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন থামে মাধ্যমিকেই পাল্টা সংবাদ সম্মেলন রফিকুল ইসলামের প্রতিপক্ষের সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস সুনামগঞ্জে গ্যাস সংকট চুলা জ্বলে না, পাম্পে দীর্ঘ লাইন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালাল চক্র সদর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন ৫ আগস্ট ঘিরে তৎপরতা চালানোর মুরোদ আওয়ামী লীগের নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎সুনামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা: নাদের, পলিন, রিপন-দীপঙ্করসহ ৪৮ জন আসামি পূবালী ব্যাংকের ইলেক্ট্রনিক বুথ ও সেল্ফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন

তাহিরপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান

  • আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৯:৩৩:০২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৯:৩৩:০২ পূর্বাহ্ন
তাহিরপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান
স্টাফ রিপোর্টার :: তাহিরপুর উপজেলার মেঞ্জারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার কক্ষের একমাত্র স্কুল ভবনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় পাঠদানের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই প্রতিটি কক্ষের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। পাঠদানকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর। বেরিয়ে গেছে ছাদ ও ভিমের রড। যেকোনো সময় ছাদ ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন জানায়, মেঞ্জারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির পড়ালেখার মান অত্যন্ত ভালো এবং এখান থেকে নিয়মিত শিক্ষার্থীরা বৃত্তিও পাচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ছয়জন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। কিন্তু ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ক্লাস নিতে গিয়ে আতঙ্কে থাকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় অনেক অভিভাবক দুর্যোগপূর্ণ দিনে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চান না। এর ফলে পাঠদান থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। গত সোমবার তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির নেতা মেহেদি হাসান উজ্জ্বল ও শাখাওয়াত হোসেন স্কুলটি পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সানা উল্লাহ বলেন, আমরার স্কুলটি ভাঙ্গা। ক্লাসে বসতে ভয় করে। আমরার স্কুলটি নয়া করে বানিয়ে দেয়া হোক। একই শ্রেণির ছাত্রী তৃষা মনি বলে, আমরার আস্তা ইস্কুলটা ভাঙ্গা। আব্বা-আম্মা ক্লাসে আইতে দেইন না। ক্লাসে বইলে আমরার মাথার ওপর টুকরা ভাইঙ্গা পড়ে। অভিভাবক আসাদুজ্জামান রোকন বলেন, জরুরি নতুন ভবন নির্মাণ এবং পাঠদান কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া উচিত। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রইছ মিয়া বলেন, আমি দুই বছর ধরে লিখিত ও মৌখিকভাবে ভবনটির ঝুঁকিপূর্ণতা যাছাইপূর্বক শ্রেণিকক্ষ অন্যত্র সরানোর জন্য বলছি। আট মাস আগেও লিখিত দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ জানানোর পর গত রবিবার এলজিডি অফিসের লোকজন এসে পরিদর্শন করেছেন। তাহিরপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স