সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

কিসের হাসিনা, তার চেহারা কি দেখা গেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ১০:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ১০:২৯:১৯ পূর্বাহ্ন
কিসের হাসিনা, তার চেহারা কি দেখা গেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: বিদেশে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার ভাষায়, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্তদের রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ আর গ্রহণ করবে না। শুক্রবার সকালে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বুধবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার অডিও বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “কিসের হাসিনা, কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? চেহারা দেখা গেছে?” এরপর তিনি বলেন, “ওই সময় মাঝেমধ্যে আওয়াজ-টাওয়াজ দিয়ে থাকে। এগুলো তারা চেষ্টা করছে বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কিনা? এগুলো বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।” সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নেই, যারা বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না। তারা বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উসকানি দিতে পারে, চিৎকার করতে পারে। এগুলো আমরা আর মনোযোগ দিচ্ছি না।” এর আগে সকালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) কার্যালয় পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে কর্তৃপক্ষের আবাসন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারের জন্য সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এটি অনুমোদনের পর পর্যটন উন্নয়নের পথে বিদ্যমান নীতিগত ও প্রশাসনিক বাধাগুলো দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও জরিপ ছাড়াই কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যার ফলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হয়েছে। তার ভাষায়, “মেরিন ড্রাইভের দুই পাশের বড় একটি এলাকা তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন ছাড়া ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষণা করায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যটন এলাকায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। সরকার এখন তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে চায়, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটন উন্নয়ন, দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।” পর্যটন উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অনুসরণের ওপরও জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমুদ্রসৈকতে কাঠের ওয়াকওয়ে, পিয়ার, হেলিকপ্টার অবতরণ প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রকল্পটির অনুমোদন ও দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষকদের অনুরোধে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, তিনি কথা রেখেছিলেন। অনুমোদন দিলেন, টেন্ডার হলো, নির্মাণকাজ শুরু হলো। আজ হয়তো আমার ভাগ্যেই ছিল এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে থাকতে পারা। মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ, যা তাকে আনন্দিত করেছে। নতুন আবাসিক ভবন নির্মিত হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটও অনেকটাই দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক সলিমুল্লাহ খানের সান্নিধ্যে থাকার সুযোগ হয়েছিল। তার কাছে অনেক কিছু শিখেছি। আমার জানা মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে মেধাবী মানুষদের একজন তিনি। শিক্ষা ও সমাজ নিয়ে তার তাত্ত্বিক অবদান অনেক বড়। তিনি বলেন, হাসপাতাল ভবনের নির্মাণ শেষ হলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বহুশয্যার হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি মাস্টারপ্ল্যানে থাকা একাডেমিক ভবনসহ বাকি অবকাঠামোও বর্তমান সরকারের মেয়াদে স¤পন্ন করার চেষ্টা করা হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের সময় ও পরিধি বাড়াতে প্রয়োজন হলে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কাগজপত্রসহ বিষয়টি জানালে প্রয়োজনীয় সংশোধনের ব্যবস্থা করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা