সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ , ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিনে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি, রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দুই সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে নিখোঁজের নাটক সাজান বাবা ‎সাংবাদিক বায়েজীদের পিতৃবিয়োগে সুনামকন্ঠ পরিবারের শোক দোয়ারাবাজারের ডালিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে ৮ বছরেও পায়নি বিদ্যুৎ সংযোগ ‎সাংবাদিক বায়েজীদের বাবার ইন্তেকাল সদরে সাফল্যের জোয়ার, অন্যান্য উপজেলায় ভাটা, পাসের হার ৫৩.৮৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৩ জন সুনামগঞ্জে ৬ মাসে প্রাণ গেছে ৫৩ জনের ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী “সবচেয়ে মিষ্টি গান সেগুলোই, যা সবচেয়ে দুঃখের কথা বলে” মিয়ারচর খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন দিরাইয়ে এসএসসিতে সেরা বালিকা বিদ্যালয়, পিছিয়ে রয়েছে রফিনগর হাওরাঞ্চলে গরু চুরির হিড়িক, এক মাসে অর্ধশতাধিক গরু চুরি জুলাইয়ে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩১ জীবিত থাকতে পায়নি, মৃত্যুর পর আইসিইউতে হাম-আক্রান্ত শিশু- অভিযোগ বাবা-মায়ের ডা. সৈয়দ মোনাওয়ার আলী : জনকল্যাণে অনন্য পথিকৃৎ ভারতীয় মদসহ কথিত সাংবাদিক লিটন আটক ট্রাভেলস ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার বোকা নদীর সেতুতে ঝুলছে ডাম্প ট্রাক, চালক পলাতক সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী

৩৬ কোটি টাকার ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কেন অভিভাবকহীন?

  • আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ০৬:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ০৬:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন
৩৬ কোটি টাকার ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কেন অভিভাবকহীন?
সরকারি অর্থে নির্মিত অবকাঠামো পড়ে থাকবে, অথচ তার সুফল মানুষ পাবে না - এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সুনামগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির ক্ষেত্রে ঠিক এমনই এক হতাশাজনক চিত্র সামনে এসেছে। প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে, অথচ দেড় বছর পরও প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি। আরও বিস্ময়কর বিষয়, এখনো ক্যাম্পাসটি ব্যবহারকারী কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরও করা হয়নি। সুনামগঞ্জের মতো পশ্চাৎপদ ও হাওরবেষ্টিত জেলায় স্বাস্থ্য প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স চালু হলে জেলার শিক্ষার্থীদের অন্যত্র গিয়ে পড়াশোনার চাপ কমবে। একই সঙ্গে মেডিকেল ল্যাবরেটরি, রেডিওলজি, ফার্মেসি, ডেন্টাল, ফিজিওথেরাপিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে জেলার স্বাস্থ্যসেবায়ও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণ করেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালুর জন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল, শিক্ষা কার্যক্রম ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা। অথচ এখনো প্রয়োজনীয় জনবল সৃজন হয়নি। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত ভবনগুলো তালাবদ্ধ পড়ে থাকার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকলে স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ ব্যাহত হয়ে সরকারি বিনিয়োগও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা মনে করি, এ অবস্থার অবসানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনীয় জনবল সৃজন, ক্যাম্পাস হস্তান্তর এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স¤পন্ন করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দিতে হবে। ৩৬ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ যেন আরেকটি পরিত্যক্ত সরকারি স্থাপনায় পরিণত না হয়। জনগণের অর্থে নির্মিত প্রতিষ্ঠানের সুফল জনগণকেই দিতে হবে - এটাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দিনে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি, রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ

দিনে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি, রাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ