স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের হাছনবাহার-পাঠানবাড়ি কিত্তায় অন্যের রেকর্ডীয় ফসলি জমি থেকে রাতের আঁধারে মাটি উত্তোলন করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে বর্ষা মৌসুমের পর ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত চুরি করে এভাবে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও জমির মালিকরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর ধরে বর্ষার পরবর্তী সময়ে স্থানীয় একটি চক্র অন্যের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ছোট নৌকায় করে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় নিয়ে যাচ্ছে। পরে বাড়িঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য এসব মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। জমির মালিক ও স্থানীয়রা একাধিকবার বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে মাটি উত্তোলন অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি মাটি উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় কোনো কোনো জমির মালিককে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাইরঘাট মৌজার জেএল নম্বর-৮৮, খতিয়ান নম্বর-৫৯০ ও দাগ নম্বর-২৯৬-এর ০.৮২ একর রেকর্ডিয় ফসলি জমি থেকে পানির নিচে ও ভাসমান স্থান থেকে মাটি উত্তোলনের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে মাটি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে ভূমির শ্রেণী পরিবর্তনসহ জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। জমির মালিক জাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দুই মালিকের জমি থেকে স্থানীয় একটি চিহ্নিত চক্র রাতের বেলায় মাটি উত্তোলন করে এলাকায় বিক্রি করছে। প্রতিদিন ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত তার জমিসহ মো. শওকত আলীর জমি থেকে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। তিনি বাধা দেওয়ায় তাকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অপর জমির মালিক মো. শওকত আলী বলেন, তার রেকর্ডীয় ৮২ শতক জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে অসাধু উপায়ে বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি মাটি উত্তোলনে বাধা দিলে তাঁকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি চুরি
- আপলোড সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:০৯:২১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ