সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে বিপদ, উন্নয়নের নামে আত্মঘাতী পথচলা অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা ক্ষেতে-খলায় নষ্ট হচ্ছে ধান যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক

বিশ্বম্ভরপুরে ৭ দোকান পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

  • আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৪ ০১:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৪ ০৯:৩১:৫৭ পূর্বাহ্ন
বিশ্বম্ভরপুরে ৭ দোকান পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি
পস্টাফ রিপোর্টার :: বিশ্বম্ভরপুরে ৭টি দোকানঘর আগুনে পুড়ে ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। আর পাশের দুটি দোকানের মালামাল সরাতে গিয়ে আরও লক্ষাধিক টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার ব্যবসায়ীরা। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পলাশ বাজারের কাপড়পট্টিতে ঘটনাটি ঘটে। অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- শাহ নেওয়াজ, গিয়াস উদ্দিনের দুটি কাপড়ের দোকান ও মোহাম্মদ শাহ আলম (আকাশ জুয়েলার্স), অমর বাবু (আপন স্বর্ণ শিল্পালয়), মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (জাহিদুল স্বর্ণ শিল্পালয়)। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাপড় ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া ও আবু হানিফের দোকান। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে হঠাৎ করেই পলাশ বাজারের কাপড়পট্টির শাহ নেওয়াজ শাড়ি-কাপড়ের দোকান ও গিয়াস উদ্দিনের শাড়ি-কাপড়ের দোকানে ধোয়া দেখে বাজারের সবাই এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। পাশাপাশি বিশ্বম্ভরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারাও দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ৫টি দোকান স¤পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শাহ নেওয়াজ ও গিয়াস উদ্দিনের দোকানের পাশে ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া ও আবু হানিফ জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত এসে আমার দোকানের মালামাল লোকজনকে নিয়ে সরানোর চেষ্টা করে রক্ষা পেয়েছি। সময় মতো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা না আসলে আমার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। এরপরও আমার লক্ষাধিক টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন জানান, আমার সব শেষ, একবারেই পথে বসে গেছি। ধারদেনা, এনজিও লোন ও জমি জমা বিক্রি করে এই কাপড়ের দোকান দিয়েছিলাম চোখের সামনেই সব শেষ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত শাহ নেওয়াজ জানান, পলাশ বাজার মসজিদের টাকাও ছিল দোকানেই। সব টাকা ও কাপড় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া ৫ টি দোকানগুলোসহ আমার দোকানও শেষ। কি করব বুঝতে পারছি না। ক্ষতিগ্রস্ত স্বর্ণের দোকান মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, এক মাসও হল না দোকান দিলাম। এর মধ্যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দোকানের সব মালামাল। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার কারণ জানতে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স