সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতিমূলক সভা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধা, সুনামগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব

রেলপথ সংস্কারে ধীরগতি কাম্য নয়

  • আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন
রেলপথ সংস্কারে ধীরগতি কাম্য নয়
২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ সিলেট-ছাতক রেলপথ। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, সংস্কারকাজ শুরু হলে দ্রুতই এই গুরুত্বপূর্ণ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু হবে। কিন্তু ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ গত ২৩ আগস্ট শেষ হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ কাজই এখনো বাকি। এই চিত্র নিছক ধীরগতি নয়, বরং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ ছাতক ও সিলেটের মানুষের জন্য কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়; এটি ছাতকের শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের সঙ্গেও ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত। সিমেন্ট, চুনাপাথর, বালি, পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে রেলপথটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রী যেমন দুর্ভোগে পড়েছেন, তেমনি ব্যবসায়ীদেরও সড়কপথনির্ভর অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। ফলে এই রেলপথ দ্রুত সচল করা স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের আওতায় রেললাইন সংস্কার, মাটি ভরাট, সেতু ও কালভার্ট মেরামত, স্লিপার স্থাপন এবং নতুন রেললাইন বসানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এসব কাজের বড় অংশ অস¤পন্ন থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে ৯৬টি পাইলিং পয়েন্টের ৮৫টির কাজ শেষ হলেও সার্বিক অগ্রগতি মাত্র ২৫ শতাংশ - এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু শুধু সময় বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না। কেন নির্ধারিত সময়ে কাজের মাত্র এক-চতুর্থাংশ শেষ হলো, কোথায় প্রশাসনিক বা কারিগরি জটিলতা রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি আছে কি না - এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি প্রয়োজন। আমরা মনে করি, রেলপথ সংস্কারকে আর দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে রাখা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাস্তবসম্মত নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অযৌক্তিক বিলম্বের জন্য দায় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের অর্থে নেওয়া এই প্রকল্প দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় দাবি। সিলেট-ছাতক রেলপথ কবে চালু হবে - এ প্রশ্নের উত্তর আর অনিশ্চিত থাকা উচিত নয়। দ্রুত কাজ শেষ করে এই ঐতিহাসিক রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা হোক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ