শীঘ্রই চালু হচ্ছে কৈতক ট্রমা সেন্টার
- আপলোড সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৯:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৯:৪৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
দুই বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে থাকা ছাতকের কৈতক ২০ শয্যার ট্রমা সেন্টার অবশেষে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টারকে আধুনিকায়ন করে ‘অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার’ নামে চালুর সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে কৈতক ট্রমা সেন্টারও চিকিৎসাসেবার আওতায় আসছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য লজিস্টিকস নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রগুলো চালুর কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সাথে দেশব্যাপী ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কৈতক হাসপাতালে সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ট্রমা সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে এতদিন এর কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। ফলে ভবনটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ পড়ে থাকার পাশাপাশি ভেতরে থাকা বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে নির্মিত ২৪টি ট্রমা সেন্টারকে দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার’ করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, এক্স-রে মেশিন, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হবে।
গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এসব ট্রমা সেন্টার চালুর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সড়ক ও মহাসড়কের পাশে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ‘অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কৈতক ট্রমা সেন্টার চালু হলে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ছাতক, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ সদরসহ আশপাশের এলাকার মানুষ এর সুফল পাবেন। বর্তমানে গুরুতর আহত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দূরের হাসপাতালে নিতে হয়।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, মহাসড়কগুলোকে কেন্দ্র করে আমরা ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। খুব দ্রুতই এগুলোকে ‘অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সেন্টার’ হিসেবে রূপান্তর করা হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটিকে আমাদের নিয়মিত স্বাস্থ্যব্যবস্থার (হেলথ সিস্টেম) একটি টেকসই অংশ হিসেবে পরিচালনা করার লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ