সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ , ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এক পরিবারে একাধিক সারের ডিলারশিপ নয় সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জে সড়ক-সেতু পুনর্নির্মাণে ৩৮৭ কোটি টাকা অনুমোদন জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাথে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ৫ বছরেও স্থায়ী ঠিকানা পায়নি সুবিপ্রবি, ভাড়া ভবনে চলছে কার্যক্রম মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৫ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক মরাচেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে মামলা দায়ের স্কুল থেকেই শিশুদের ক্রীড়া-সংগীতে পারদর্শী করার উদ্যোগ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে একদিনে প্রাণ গেল ১০ জনের বালু লুটের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্সের অভিযান শুরু শাল্লায় ইজারাকৃত জলমহাল দখলের চেষ্টা সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোর উদ্বোধন সরু সেতু যেন মৃত্যুফাঁদ, ভোগান্তিতে লক্ষাধিক মানুষ শিশুদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের স্মৃতিচারণ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও প্রিয়জন হয়ে উঠুন : শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রী স্ত্রীর আত্মহত্যার এক সপ্তাহের মাথায় বিষপানে স্বামীর মৃত্যু, মা-বাবাকে হারিয়ে শোকের সাগরে তিন অবুঝ শিশু চেলা ও মরা চেলা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : পাউবো’র চিঠি, টাস্কফোর্সের অভিযানে জরিমানা বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও সুরক্ষার দাবি পূজার আর ১০ দিন, ৪৪৪ মণ্ডপে উৎসবের প্রস্তুতি শাল্লায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তরুনীকে অপহরণের অভিযোগ পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিদায়ী সম্মাননা

বিদায়ের ঘণ্টা বেজেছে, খোলা রইল স্মৃতির দরজা

  • আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ১১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
বিদায়ের ঘণ্টা বেজেছে, খোলা রইল স্মৃতির দরজা
::প্রভাষক দুলাল মিয়া:: একটি বিদ্যালয় শুধু একটি ভবনের নাম নয়। একটি বিদ্যালয় মানে অসংখ্য স্বপ্ন, শৈশব- কৈশোরের অমূল্য স্মৃতি, কিছু মানুষের ভালোবাসা- শাসন, নিরলস আত্মত্যাগের গল্প এবং সরল আবেগ - অনুভূতির নাম। এমনি এক আবেগময় প্রাণের বিদ্যাপীঠ হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়। যে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বসে জীবনের প্রথম স্বপ্ন দেখতে শেখা, যে শিক্ষকের কণ্ঠে উচ্চারিত একটি বাক্য জীবনের পথচলার দিশা হয়ে ওঠা, যে বিদ্যালয়ের মাঠে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে শপথ গ্রহণ, অজস্র স্বপ্ন আর কল্পনার বীজবোনা হয়েছিল - সেই বিদ্যালয়ের আঙিনা থেকে দূরে সরে গেলেও তার স্মৃতি কখনো দূরে সরে যায় না। ওই বিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য শিক্ষার্থীর শৈশব, স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্প। আর সেই গল্পের অন্যতম নির্মাতা হলেন এ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীগণ। দীর্ঘ কর্মজীবনের পথ পেরিয়ে বিদ্যালয় থেকে বিদায় নিয়েছেন অনেক শিক্ষক-কর্মচারী। তাঁদের কারও হাতে গড়ে উঠেছে একটি প্রজন্ম, কারও স্নেহ-শাসনে শিক্ষার্থীরা শিখেছে নিয়মানুবর্তিতা, আবার কারও নীরব শ্রমে বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম এগিয়ে গেছে নির্বিঘেœ। তাঁদের প্রত্যেকের কর্মজীবনের গল্প আলাদা, কিন্তু লক্ষ্য ছিল এক - শিক্ষার্থীদের আলোকিত করা, বিদ্যালয় এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখা। ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক সর্বজন শ্রদ্ধেয় পরিমল কান্তি তালুকদার স্যারসহ এ পর্যন্ত ২৮ জন শিক্ষক - কর্মচারী অবসর/বিদায় নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে - প্রধান শিক্ষক সত্যব্রত দাশ, মো.ফয়জুন্নুর,সহকারী প্রধান শিক্ষক বিনয় ভূষণ তালুকদার, প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী শিক্ষক আব্দুল মজিদ, সহকারী শিক্ষক হেমেন্দ্র কুমার দাশ, জীবন কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, পবিত্র কুমার তালুকদার, সুভাষ চন্দ্র তালুকদার, নজরুল হক, মোহিত রঞ্জন দাশ, নিশি কান্ত দাশ, অপু রায়হান, অফিস সহকারী রণদা চক্রবর্তী, সমীরণ দাশ, অফিস সহায়ক করুণাসিন্ধু দাশ, আশুতোষ দাশ ও নৈশপ্রহরী নিখিল রঞ্জন দাশসহ ১৭ জন শিক্ষক - কর্মচারীকে বিভিন্ন অসুবিধার কারণে বিদায়ী সম্মাননা দেওয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর মো. সাইফুল ইসলাম স্যারের শেষ কর্মদিবসে স্যারসহ আজ ১৮ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা জানানো হচ্ছে। এই আয়োজনের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো- এটি কোনো প্রতিষ্ঠানের শুধু আনুষ্ঠানিক বিদায় নয়; এটি শিক্ষার্থীদের হৃদয় থেকে উঠে আসা ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। শুধু নবীন শিক্ষার্থী নয়, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছে এই আয়োজনের আবেগ আরও গভীর। কারণ আজ যাঁদের সম্মাননা জানানো হচ্ছে, তাঁদের অনেকেই সেই সময়ের শিক্ষক-কর্মচারী। যাঁদের ¯েœহ, শাসন, পরামর্শ ও শিক্ষায় আমাদের কৈশোরের দিনগুলো নির্মিত হয়েছে। একজন শিক্ষকের কাছে হয়তো একটি ব্যাচ কেবল একটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। কিন্তু শিক্ষার্থীর কাছে সেই শিক্ষক হয়ে ওঠেন জীবনের স্মৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সময়ের ব্যবধানে শিক্ষার্থীরা বড় হয়েছে, পেশাগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অনেকেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু স্মৃতির পাতায় সেই বিদ্যালয়, সেই শ্রেণিকক্ষ আর সেই প্রিয় শিক্ষকদের কর্ম ও স্মৃতি একই ঔজ্জ্বল্যে ভাস্বর। একজন শিক্ষকের অর্জন কেবল পদোন্নতি, চাকরির মেয়াদ কিংবা অবসরের আনুষ্ঠানিকতায় মাপা যায় না। তাঁর প্রকৃত অর্জন ছড়িয়ে থাকে শিক্ষার্থীদের জীবনে। কোনো শিক্ষার্থী যখন জীবনের কঠিন সময়ে শিক্ষকের একটি কথা মনে করে সাহস পায়, কোনো প্রাক্তন ছাত্র যখন নিজের সন্তানকে নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে পুরোনো শিক্ষকের খোঁজ করেন, কিংবা বহু বছর পর কোনো শিক্ষার্থী যখন প্রিয় শিক্ষকের সামনে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন - সেখানেই একজন শিক্ষকের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ও সাফল্য। হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষকের কর্মজীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কারও সম্ভবত তাঁদের হাতে গড়ে ওঠা সেই প্রজন্ম, যারা আজ সমাজের নানা ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। তাঁদের কেউ হয়েছেন শিক্ষক, কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ সাংবাদিক, কেউ সমাজ উন্নয়নকর্মী হিসেবে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেকের সাফল্যের গল্পে জড়িয়ে আছে প্রিয় শিক্ষকদের অবদান। কর্মচারীদের অবদানও অনস্বীকার্য : একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে শিক্ষকরা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কর্মচারীরাও। বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও সচল রাখতে তাঁদের নীরব শ্রমের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীরা হয়তো তাঁদের অবদান সবসময় চোখে দেখেনি, কিন্তু বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কাজ ও দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার পেছনে তাঁদের নিরলস শ্রম রয়েছে। শিক্ষক- কর্মচারীদের সম্মিলিত অবদানেই একটি বিদ্যালয় পূর্ণতা পায়। আমরা তা-ই পেয়েছি। এই কারণে প্রাক্তন ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে একই মঞ্চে সম্মাননা জানানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এটি প্রমাণ করে-একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে প্রত্যেক মানুষের অবদানই মূল্যবান। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও এই সম্মানের অংশ। এই আয়োজনের সঙ্গে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম স্যারকে সম্মাননা জানানোর বিষয়টিও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। একজন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করা নয়; বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী স¤পর্ক, শৃঙ্খলা, অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাঁর দায়িত্বের জায়গা থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে মনে প্রাণে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এই সম্মাননা তারও একটি স্বীকৃতি।আজকের এই অনুষ্ঠানে অতীতের ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার মধ্য দিয়ে যেন অতীত ও বর্তমানের মধ্যে একটি সুন্দর সেতুবন্ধন তৈরি হচ্ছে। জীবনের নিয়ম বড় অদ্ভুত। মানুষ প্রয়োজনে বিভিন্ন কর্ম ক্ষেত্রে আসে, কিছু সময় পাশাপাশি পথ চলে, তারপর সময়ের প্রয়োজনে আলাদা হয়ে যায়। কিন্তু কিছু সম্পর্ক কখনো শেষ হয় না। বিশেষ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক। এর সম্পর্ক নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বিনে সুতার সম্পর্ক। অবসরের পর একজন শিক্ষক হয়তো আর প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসেন না। তাঁর হাতে আর হাজিরার খাতা থাকে না, শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে পাঠদান করতে হয় না। কিন্তু তাঁর নামটি থেকে যায় শিক্ষার্থীদের স্মৃতিতে। একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী যখন বহু বছর পর নিজের জীবনের সাফল্যের দিকে ফিরে তাকান, তখন তিনি বুঝতে পারেন - এই পথের শুরুতে কিছু মানুষ হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছিলেন। শিক্ষার্থীর হৃদয়ে স্বপ্নের বীজ বপন করেছিলেন। তাঁরা আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। তাই বিদায়ের এই আয়োজন আসলে বিদায় নয়। এটি ফিরে দেখা- কোথা থেকে আমরা এসেছি, কারা আমাদের পথ দেখিয়েছেন। আমাদের জীবন গড়ার নেপথ্য কারিগর কারা এবং তাঁদের কাছে আমাদের কতটা ঋণ রয়েছে, সেই উপলব্ধির মুহূর্ত। সম্মাননা কখনো কোনো মানুষের অবদানের পুরো মূল্য পরিশোধ করতে পারে না। একটি ক্রেস্ট, একটি ফুল, একটি উত্তরীয় কিংবা একটি সম্মাননাপত্র একজন শিক্ষকের দীর্ঘ কর্মজীবনের মূল্য নির্ধারণ করতে পারে না। তবুও সম্মাননা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে বলা যায়- “আপনাদের কাজ আমরা দেখেছি, আপনাদের অবদান আমরা মনে রেখেছি।” এই উদ্যোগ তাই নিছক একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি একটি প্রজন্মের পক্ষ থেকে তাঁদের শিকড়ের প্রতি ফিরে তাকানোর উদ্যোগ। আজকের প্রজন্ম যখন দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন অতীতের মানুষগুলোর অবদান স্মরণ করা আরও জরুরি। কারণ যে প্রজন্ম তার শিকড়কে ভুলে যায়, তার ভবিষ্যৎ ও অনেক সময় শেকড়হীন হয়ে পড়ে। হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী তাঁদের কর্ম দিয়ে যে স্মৃতির ভুবন তৈরি করেছেন, সেই স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করবে তাঁদের হাতে গড়ে ওঠা প্রজন্ম। আজকের এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে হয়তো ফুল থাকবে, থাকবে ক্রেস্ট, থাকবে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার নানা আয়োজন। কিন্তু এসবের চেয়েও বড় হয়ে থাকবে কিছু অমূল্য স্মৃতি। যাঁরা একদিন আমাদের হাতে বই তুলে দিয়েছিলেন, হাত ধরে লিখতে শিখিয়েছিলেন, ভুল করলে শাসন করেছিলেন, ভালো করলে উৎসাহ দিয়েছিলেন, স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলেন - আজ তাঁদের হাতেই আমরা কৃতজ্ঞতার ফুল তুলে দিচ্ছি। আপনাদের কর্মজীবনের অধ্যায় শেষ হয়েছে, কিন্তু আপনাদের অবদানের গল্প শেষ হয়নি। আপনাদের হাতে গড়া প্রজন্মের হৃদয়ে আপনাদের নাম লেখা থাকবে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার অক্ষরে। হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্যারের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। মহান সৃষ্টিকর্তা আপনাদের সহায় হোন। [লেখক : শিক্ষার্থী-১৯৯৯ ব্যাচ, হাজী মজিদ উল্লা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়]

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
৫ বছরেও স্থায়ী ঠিকানা পায়নি সুবিপ্রবি, ভাড়া ভবনে চলছে কার্যক্রম

৫ বছরেও স্থায়ী ঠিকানা পায়নি সুবিপ্রবি, ভাড়া ভবনে চলছে কার্যক্রম