সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা
জামালগঞ্জে হতদরিদ্র ৩ পরিবারের কাছ থেকে

ঘর দেয়ার কথা বলে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১৫-১০-২০২৪ ০১:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-১০-২০২৪ ০৮:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
ঘর দেয়ার কথা বলে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছবি: হতদরিদ্র ভুক্তভোগী এক পরিবার।
স্টাফ রিপোর্টার :: জামালগঞ্জে হতদরিদ্র পরিবারকে সরকারি ঘর দেয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মো. নেছার আহমেদ। গত আ.লীগ সরকারের আমলে হতদরিদ্র ৩ টি পরিবারকে সরকারি ঘর দিবে বলে এককালীন ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে ঘুরে জানাযায়, ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় চাঁনবাড়ি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সেলিম আহমদের কাছ থেকে ঘর দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার টাকা, মৃত আব্দুল্লাহর ছেলে কবির আহমদের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা, আমিরুল হকের ছেলে সুমন মিয়ার কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা নেন ইউপি সদস্য নেছার আহমেদ। প্রায় দু বছর অতিবাহিত হলেও তাদেরকে কোনো ঘর না দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সেলিম আহমেদ জানান, আমি অসহায়, মানুষের বাড়ি কাজ করে কোন রকমে সংসার চালাই। নেছার মেম্বার সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার টাকা চায়। আমি ধার দেনা করে নেছার মেম্বারকে টাকা দেই। পরে ঘর না পাওয়ায় মেম্বারকে তাগদা দিলে দেই দিচ্ছি বলে সময় নিচ্ছে। এখন আমাদের ভয়-ভীতি দেখায়। তাই মেম্বারের বিরুদ্ধে আমিসহ আরও দুই জন অভিযোগ করি। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. নেছার আহমদ বলেন, আমি ঘর দেয়ার কথা বলে কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। লালবাজারের লিলু মিয়া নামে এক লোক আমাদের এলাকার কয়েকজন অসহায় পরিবারকে ঘর ও টিউবওয়েল দিয়েছে। সেই বিশ্বাসে তারাও লিলু মিয়াকে টাকা দিয়েছে। তবে টাকা দেয়ার সময় আমাকে সাক্ষী রেখেছে। শুধু তারা নয় এলাকার আরো একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকেই লিলু মিয়া টাকা নিয়ে লাপাত্তা। তবে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছি। সে স্বীকার করেছে খুব শীঘ্রই তাদের টাকা ফেরত দিবে। যার প্রমাণও আমার কাছে আছে। বিষয়টি তদন্ত করে যদি আমি দোষী হই, তাহলে আমার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমি মাথা পেতে নিবো। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নুর বলেন, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারীদের শুনানির জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স