সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

​দুই মাস আগে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন হানিয়া

  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৪ ০২:০০:০২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৪ ০২:০০:০২ অপরাহ্ন
​দুই মাস আগে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন হানিয়া

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। সেই বোমা হানিয়া যে বাসভবনে অবস্থান করছিলেন সেখানে অন্তত দুই মাস আগে পেতে রাখা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের পাঁচটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, হানিয়া যে গেস্টহাউসে অবস্থান করছিলেন সেখানে বোমা (এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) অন্তত দুই মাস আগে পেতে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে উত্তর তেহরানে অবস্থিত বহুতল ভবনটি ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে আছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠান শেষ করে ইসমাইল হানিয়া সেই গেস্টহাউসে নিজের কামরায় প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে বোমা বিস্ফোরিত হয়। এই হামলায় হানিয়ার এক দেহরক্ষীও নিহত হন। 

আইআরজিসির দুই কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণে ভবনটি কেঁপে ওঠে। কয়েকটি জানালা ভেঙে যায় এবং একটি দেয়াল আংশিকভাবে ধসে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরান সফরের সময় হানিয়া বেশ কয়েকবার এই গেস্টহাউসে উঠেছিলেন। ইরান ও হামাস গত বুধবার বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েল দায়ী। একই ধরনের মূল্যায়নের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা। একই দিনে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তাঁরা আগে থেকে অবগত ছিলেন না। 

হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জল্পনা শুরু হয় যে, ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে হানিয়াকে হত্যা করেছে। যে ক্ষেপণাস্ত্র সম্ভবত একটি ড্রোন বা বিমান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। কিন্তু এই জল্পনার বিপরীতে এই প্রশ্ন উত্থাপিত হয় যে, ইসরায়েল কীভাবে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে দেশটির রাজধানীতেই এমন সাহসী বিমান হামলা চালাতে সক্ষম হলো।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে হত্যাকারীরা ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় একটি ভিন্ন ধরনের ফাঁককে কাজে লাগাতে পেরেছে। হত্যাকারীরা নিরাপত্তার ফাঁক গলে হামলার কয়েক সপ্তাহ আগেই বোমা পেতে লুকিয়ে রাখে। তিনজন ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা ইরানের বুদ্ধিমত্তা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য একটি বিপর্যয়কর ব্যর্থতা এবং আইআরজিসির জন্য একটি বিশাল বিব্রতকর অবস্থা। কারণ, আইআরজিসিই হানিয়ার সফরের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করত। 

তবে গেস্টহাউসে বোমাটি কীভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। মধ্যপ্রাচ্যের কর্মকর্তারা বলেছেন, সম্ভবত হত্যার পরিকল্পনা করতে কয়েক মাস সময় লেগেছিল এবং কম্পাউন্ডটিতে নিবিড় নজরদারি চালিয়েছিল হত্যাকারীরা। দুই ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, তারা জানেন না কীভাবে বা কখন বিস্ফোরকগুলো কক্ষে রাখা হয়েছিল। 

কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সময় বুধবার রাত প্রায় ২টার দিকে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। এর পরপরই ভবনটির আতঙ্কিত কর্মীরা শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে হানিয়া যে ঘরে থাকতেন সেখানে পৌঁছে যান। কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিমটি বিস্ফোরণের পরপরই রুমে ছুটে যায়। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেই হানিয়াকে মৃত দেখতে পান। 

দুই ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের নেতা জিয়াদ আল-নাখালাহ হানিয়ার পাশের কামরায় অবস্থান করছিলেন। তাঁর কামরা তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচ কর্মকর্তার মতে, গাজা উপত্যকায় হামাসের ডেপুটি লিডার খলিল আল-হাইয়া বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইসমাইল হানিয়ার লাশ দেখতে পান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ