সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

দেখার হাওরের প্রয়োজনীয় স্থানে নেয়া হয়নি বাঁধের প্রকল্প : উদ্বিগ্ন কৃষক

  • আপলোড সময় : ৩১-১২-২০২৪ ০৯:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-১২-২০২৪ ০৯:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
দেখার হাওরের প্রয়োজনীয় স্থানে নেয়া হয়নি বাঁধের প্রকল্প : উদ্বিগ্ন কৃষক
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের অন্তর্গত দেখার হাওরের ছলিমপুর গ্রাম সন্নিকটে বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত বছরও ওই এলাকায় ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ফসল রক্ষার প্রয়োজনীয় স্থানে বাঁধের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। তাই আগাম বন্যার হাত থেকে বোরো ফসলরক্ষায় ছলিমপুর এলাকায় বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। জানাযায়, এবার দেখার হাওরের একাংশ টলামারা স্লুইস গেইটের দুই পাশে মাটি ভরাটের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। হাওরপাড়ের ছলিমপুরের পাশে খৈয়াকাইমা, ভৈষা বিলের খাড়া, গছিলারা কালাডোয়ার নামক স্থানে ক্লোজার বন্ধকরণে এবার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই শত শত একর বোরো ফসল আগাম বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে। এই কারণে কৃষকরা এখনই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এবার আগাম বন্যা না হলেও সুরমা নদী থেকে উজানের ঢলের পানি এসে ভেসে যাবে দেখার হাওর। এই হাওরে মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানের পানি খাল দিয়ে প্রবেশ এবং সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে দেখার হাওরের এসব ফসল তলিয়ে যায়। তাই এবার আগাম বন্যায় বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা। দেখার হাওরের কৃষক আব্দুল আলী বলেন, এবার ফসল রক্ষা বাঁধ না হওয়ায় আমাদের বোরো জমি আগাম বন্যার ঝুঁকির মুখে থাকবে। বাঁধ নির্মাণের এখনো সময় আছে। দ্রুত বাঁধ নির্মাণের দাবি আমাদের। কৃষক সুজাত মিয়া বলেন, হাওরের এই স্থানে প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ হয়। এবার হলো না কেন। ভাবতেও অবাক লাগে। উজানের সামান্য পানিতে এখানকার ফসল তলিয়ে যায়। এসব ক্লোজার বন্ধ করা জরুরি প্রয়োজন। কৃষক সাহেব আলী বলেন, কম বেশি যেমন বরাদ্দ হোক। ফসলরক্ষা বাঁধ তো নির্মাণ প্রয়োজন ছিলো। এই বাঁধ জরুরিভিত্তিতে নির্মাণ প্রয়োজন। লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাওরের এসব ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ প্রতিবছর সুরমা নদীর পানি শহরের বিভিন্ন দিকে প্রবেশ করে এবং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের পুরো পানি এই হাওরে প্রবেশ করে। এতে হাওরের ফসল ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই এখানকার বাঁধ বা ক্লোজারগুলো বন্ধকরণ অতিজরুরি। পানি উন্নয়ন বোর্ড সদর উপজেলার এসও আতিকুর রহমান বলেন, এবার ছলিমপুরের পাশের একাধিক ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য কেউ উদ্যোগ নেননি। তাই এবার এসব বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন হয়নি। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, গত বছর সদর উপজেলায় দেখার হাওরের ছলিমপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ও ক্লোজার বন্ধকরণে কাজ হয়েছিল। এবার হাওর নিরাপদ রাখতে অন্যদিকে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স