সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতিমূলক সভা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধা, সুনামগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব

যে কোনো নির্বাচিত সরকার, অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভালো : মির্জা ফখরুল

  • আপলোড সময় : ২২-০১-২০২৫ ০৮:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০১-২০২৫ ০৮:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
যে কোনো নির্বাচিত সরকার, অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভালো : মির্জা ফখরুল
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: যে কোনো নির্বাচিত সরকারকে অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বারবার নির্বাচনের কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না। অনেকের প্রশ্ন, আপনি এত নির্বাচন নির্বাচন করেন কেন? বিশেষত ছাত্ররা তো বলেনই। নির্বাচনের কথা বারবার বলার কারণ একটাই। যে কোনো নির্বাচিত সরকার কিন্তু একটি অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে ভালো। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমি জানি না আমার এই বিশ্বাসটা ভুল কি না? নির্বাচিত সরকার হলে আমার এক্সেস থাকে, আমি যেতে পারি, কথা বলতে পারি। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গ্রন্থ আড্ডায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের এখানে এখন যে অস্থিরতা চলছে এই অবস্থা যদি নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, আমাদের ধৈর্য ধরে পা ফেলতে হবে। এমন কিছু আমরা করবো না, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আরও বিপদ যেন আমরা ডেকে না আনি। এ বিষয়গুলো আমাদের মনে রাখতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, কখনো ধৈর্য হারাবেন না, আশা হারাবেন না। আমি কেন জানি না, আমাদের প্রত্যাশা অনেক, কিন্তু আমাদের ধৈর্য একেবারেই কম। এই তো মাত্র কয়েকটা মাস হয়েছে। এর মধ্যেই আমরা সব পাগল হয়ে গেছি। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার অনেক ভুলত্রুটি করছে, ভুলতো করবেই। তারা তো আর সরকারে ছিল না, রাজনীতি করেনি। রাজনীতি বিষয়টা তারা জানেও না, করেওনি। তাদের তো সে সময়টা দিতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে তো কেউ একটা কথা বলার সুযোগও পায়নি, সাহসও পায়নি। এখন যেহেতু একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ছে। মির্জা ফখরুল বলেন, এই পরিবর্তনের পরে আমরা যখন দু-একটা জায়গায় খোঁজখবর নিই, অফিস-আদালতে খোঁজখবর নিই- দেখি ভয়াবহ কা-, ভয়াবহ দুর্নীতি, চুরি। ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়া আর কোনো চিন্তা নেই সরকারি আমলাদের মধ্যে। এটি বলতে আমি বাধ্য হলাম। তিনি বলেন, এটির পরিবর্তন একদিনে হবে না, এত দ্রুত হবে না। ধৈর্য ধরেন, স্ট্রাকচার আমরা দাঁড় করাই, একটি গণতান্ত্রিক স্ট্রাকচার দাঁড়াক, সেই স্ট্রাকচার দাঁড়িয়ে গেলে নিশ্চয় আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো। বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমানের কৃতিত্বটা ছিল কোন জায়গায়? তার কৃতিত্বটা ছিল- তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে দেশকে বের করে এনেছিলেন। ওটাই ছিল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সংস্কার। দেশকে একদলীয় রাজনীতি থেকে বহুদলীয় রাজনীতি, একটি ভ্রান্ত সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি থেকে মিক্সড ও মুক্তবাজার অর্থনীতির দিকে নিয়ে এসেছিলেন। শিক্ষাব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাখাত একদম শেষ হয়ে গেছে। শিক্ষাব্যবস্থা একদম শেষ। সেটির মধ্যে কোনো কিছু অবশিষ্ট আছে বলে মনে হয় না। প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে একদম ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত সব জায়গায় দেখবেন, শিক্ষার মান এত নিচে নেমে গেছে, এটি বলে বোঝানো যাবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, সারাদেশে এই যে অসংখ্য শিক্ষিত বেকার, এটিই হচ্ছে বড় সমস্যা। এটিকেও আমরা কেউ চিন্তায় আনছি না। আজ সরকার অনেকগুলো সংস্কার কমিশন করেছে, কিন্তু শিক্ষায় কোনো কমিশন করেনি। এটি তো আগে প্রয়োজন ছিল। গোটা সমস্যার মূলে এটিই। শিক্ষাব্যবস্থা যদি ঠিক না হয়, আমার যদি জ্ঞান না থাকে, তাহলে আমি সমাজে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবো? নিজের পরিবারের জন্যও কি পরিবর্তন আনতে পারবো?

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ