সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

টাঙ্গুয়ার হাওরে অযত্নে মরছে বন বিভাগের বৃক্ষ

  • আপলোড সময় : ১২-০৩-২০২৫ ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৩-২০২৫ ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
টাঙ্গুয়ার হাওরে অযত্নে মরছে বন বিভাগের বৃক্ষ
বিশেষ প্রতিনিধি :: টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন গোলাবাড়ি কান্দায় বনবিভাগ কর্তৃক ২৫ হেক্টর ভূমিতে লাগানো বৃক্ষ মারা যাচ্ছে। ভুল সময়ে ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতিতে বৃক্ষ লাগানো এবং পরিচর্যার অভাবে অযতেœ বৃক্ষগুলো মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা টাঙ্গুয়ার কান্দায় লাগানো বৃক্ষের পরিচর্যার দাবি জানিয়েছেন। সুনামগঞ্জ বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাস খানেক আগে জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ভূমিতে টাঙ্গুয়ার হাওরের কান্দায় হিজল-করচের ৪০ হাজার বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। বন বিভাগের রাজস্ব খাতের বরাদ্দ থেকে এই বৃক্ষ রোপণ করা হয়। উল্লেখ্য ২ বছর আগে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে একই হাওরের ইকইড়দাইড় কান্দায় বন বিভাগ জলবায়ু তহবিলের টাকায় বৃক্ষ লাগিয়েছিল। সেই বৃক্ষও মারা গেছে। এবারও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা, হাওরের জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও বর্ষায় ঢেউয়ের আঘাত থেকে গ্রামগুলোকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এই বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বন বিভাগ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে টাঙ্গুয়ার হাওরের গোলাবাড়ি ওয়াচ টাওয়ার সংলগ্ন কান্দায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েক হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে কান্দা সংলগ্ন শুকনো মাটিতে। এই স্থান বর্ষায় পানিতে ডুবে থাকে। বৃক্ষ রোপণের পর চারদিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। কাছে গিয়ে দেখা যায়, প্রচুর চারা মারা যাচ্ছে। তীব্র রোদের কারণে শুকিয়ে গেছে রোপণ করা চারা। রোপণের পর গাছের গোড়ায় পানি না দেওয়া ও পরিচর্যা না করায় মারা যাচ্ছে রোপণ করা বেশিরভাগ বৃক্ষ চারা। এতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। জয়পুর গ্রামের কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, এখানে উঁচু জাগা। মাটি শুকাইয়া গেছেগা। লেছুমারা কান্দায় গাছ লাগাইলে ভেজা মাটি আছিল। গাছ আশি ভাগ বাঁচতো। ই গাছ অর্ধেকও বাঁচতো না। একই গ্রামের আলমগীর আলম বলেন, এখন গরমের সিজন। চারদিক টনটনা শুকনা। গাছের গুরিত পানি দিলে গাছ বাচতোনা। না অইলে মারা যাইবো। জয়পুর গ্রামের পরিবেশ কর্মী আহমদ কবীর বলেন, ওয়াচ টাওয়ার এলাকায় কয়েক হাজার চারা লাগানো হয়েছে। এটা হাওরের জন্য ভালো। কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে বৃক্ষ রোপণ করায় এবং রোপণ পরবর্তী পরিচর্যা না করায় বৃক্ষগুলো মারা যাচ্ছে। সুনামগঞ্জ বনবিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার সাদ উদ্দিন বলেন, জেলা প্রশাসনের মালিকানাধীন ২৫ একর ভূমিতে আমরা রাজস্ব বাজেট থেকে অল্প বরাদ্দে ৪০ হাজার বৃক্ষ লাগাচ্ছি। এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। বৃক্ষ রোপণের মওসুম না হলেও মাটি ভেজা আছে। আমাদের একজন প্রতিনিধি সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। তবে স্থানীয়দের গরু-বাছুর বেষ্টনি দেওয়া এলাকায় ঢুকে গাছের চারা নষ্ট করছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স