সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে বিপদ, উন্নয়নের নামে আত্মঘাতী পথচলা অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা ক্ষেতে-খলায় নষ্ট হচ্ছে ধান যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক

এলাকাবাসীর মানববন্ধন : শ্রমিক রিপনকে গুলির ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি

  • আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৪ ০৯:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৪ ০৯:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
এলাকাবাসীর মানববন্ধন : শ্রমিক রিপনকে গুলির ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি
স্টাফ রিপোর্টার :: গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত দিনমজুর রিপন মিয়ার ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে সচেতন সুনামগঞ্জবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। রিপন মিয়া শহরতলির মাইজবাড়ি গ্রামের দিনমজুর কামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি একটি ফার্নিচারের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে তিনি সাধারণ জনতা হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রিপন মিয়ার পিতা কামাল উদ্দিন, বোন রোজিনা বেগম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ইমন দ্দোজা, সমাজকর্মী মোশারফ মিয়া প্রমুখ। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আহত রিপনের পিতা কামাল উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, আমার ছেলে একজন দিনমজুর। আমি নিজেও দিনমজুর। ছেলের আয়েই ৬ জনের পরিবারের সংসার চলে। সে গুলিবিদ্ধ হয়ে এখন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ছাত্রদের আন্দোলনে যোগদানের অপরাধে সদর থানার ওসি খালেদ চৌধুরী তার পেয়ে গুলি করেন। আমি এই ওসি ও সহকারী পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাসের বিচার চাই। রিপন মিয়ার বোন মানববন্ধনে বলেন, আমার ভাই সুস্থ হবে কি না জানিনা। সে আর কখনো স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারবে কি না জানিনা। যারা আমার ভাইয়ের পায়ে গুলি করেছে তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা আর কিছু চাইনা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স