সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

“হাওরে বাঁধ নির্মাণ পুরোনো বৃত্তেই আটকে আছে”

  • আপলোড সময় : ১৭-০৩-২০২৫ ০১:০৪:২১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৩-২০২৫ ০১:০৪:২১ পূর্বাহ্ন
“হাওরে বাঁধ নির্মাণ পুরোনো বৃত্তেই আটকে আছে”
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: সুনামগঞ্জে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি; কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় সময় আরও ১০ দিন বাড়ানো হয়। বর্তমানে জেলার হাওরগুলোতে বাঁধ নির্মাণের সব প্রকল্পের কাজ শেষ বলে ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে এসব কাজকে অসম্পূর্ণ উল্লেখ করে এতে অসংগতি, অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’-এর নেতারা। তারা বলছেন, হাওরে বাঁধ নির্মাণ পুরোনো বৃত্তেই আটকে আছে। গত বুধবার দুপুরে শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও পাউবোর ওই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেন কৃষকদের পক্ষে সোচ্চার হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা। বিষয়টি তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন উপজেলায় অসমাপ্ত, অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের নম্বরসহ সার্বিক অবস্থা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলার হাওর বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বখত। সংগঠনটির নেতাদের ভাষ্য, এবারও কাজের শুরু থেকেই একধরনের ঢিলেমি ছিল। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি, পাউবো ও প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নানা অনিয়ম হয়েছে। এ কারণে কাজে বিলম্ব হয়েছে। এখনো বিভিন্ন বাঁধে মাটি ফেলা হচ্ছে। অথচ বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। এতে বাঁধ দুর্বল হবে। তবে পাউবো সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ও হাওরে বাঁধ নির্মাণ-সংক্রান্ত জেলা কমিটির সদস্যসচিব মামুন হাওলাদার দাবি করেন, সব প্রকল্পের মাটির কাজ শেষ। এখন বাঁধের ঢালে ঘাস লাগানো, মাটি শক্তকরণ এসব আনুষঙ্গিক কাজ হচ্ছে। অনেক জায়গায় ঘাস পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ফসলের কোনো ঝুঁকি নেই। জেলার পাউবো সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি। এবার ১২টি উপজেলার ৫৩টি হাওরে ৬৮৭ প্রকল্পে বাঁধের কাজ হচ্ছে। এ জন্য প্রাক্কলন ধরা হয় ১২৭ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৮৭ কোটি টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী, একটি প্রকল্পে স্থানীয়ভাবে কৃষক ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে গঠিত পাঁচ থেকে সাত সদস্যের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) কাজ করে। একটি পিআইসি সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার কাজ করতে পারে। তবে পিআইসিতে কৃষকদের কথা বলা হলেও নামে-বেনামে স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ঢুকে পড়েন। তাঁরাই মূলত কাজে গাফিলতি করেন। এবারও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ১০ মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারও ১৫ ডিসেম্বর নিয়ম রক্ষার্থে লোক দেখানো কিছু প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। শুরু থেকেই এসব কাজে ঢিলেমি ছিল। গণশুনানি করে প্রকল্প নির্ধারণ ও পিআইসি গঠন হয়নি। অক্ষত বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের কর্মকর্তা মিলে অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ স¤পাদক বিজন সেন রায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাওরে বাঁধ নির্মাণ পুরোনো বৃত্তেই আটকে আছে। শুরুতে দায়সারা আর শেষে তাড়াহুড়া এভাবেই কাজ চলছে। কাজ এখনো শেষ হয়নি। কৃষকেরা চিন্তায় আছেন। বাঁধের কাজে কারও গাফিলতি বা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে যদি হাওরের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে এর দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিতে হবে। জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার জানান, কাজ নীতিমালা অনুযায়ী হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম হয়নি। হাওরের ফসল না তোলা পর্যন্ত প্রতিটি বাঁধ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। - প্রথম আলো

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ