সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতিমূলক সভা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধা, সুনামগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব

স্বস্তির বৃষ্টিতে সতেজ বোরো ধানের চারা, কৃষকের মুখে হাসি

  • আপলোড সময় : ১৮-০৩-২০২৫ ০৯:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৩-২০২৫ ০৯:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
স্বস্তির বৃষ্টিতে সতেজ বোরো ধানের চারা, কৃষকের মুখে হাসি
আশিস রহমান :: এবার বোরো মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন সুনামগঞ্জের বোরো ধান চাষীরা। বৃষ্টির অভাবে পানি শূন্যতায় হাওরের বোরো ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। এতে ধানের ফলন কমে যাওয়ার শঙ্কায় ছিলেন কৃষকরা। বৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় শিরনি ও বিশেষ দোয়ার আয়োজনও করা হয়েছিল। শুধু বোরো ধান চাষীরাই নয়, তীব্র খরতাপে প্রকৃতিতেও এক ধরনের অস্বস্তিকর রুক্ষতা বিরাজ করছিল। তবে গত শুক্রবার ও শনিবার স্বস্তির বৃষ্টি হওয়ায় খুশি কৃষকরা। বৃষ্টির পানিতে এখন টুইটুম্বুর হাওরের বোরো ফসলি জমি। দীর্ঘদিন পর পানি পেয়ে সতেজ হয়ে উঠেছে বোরো ধানের চারা। কৃষকরা জানান, এতোদিন পানির অভাবে ধানের চারা শুকিয়ে মারা যাওয়ার অবস্থায় ছিল। তবে গত দুইদিনের বৃষ্টিতে এখন আবার বোরো ধান ক্ষেত নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। পানির অভাব অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের বোরো চাষি কাজল মিয়া বলেন, বৃষ্টির জন্য আমরা দোয়া করেছিলাম। বৃষ্টি হওয়ায় এখন আমরা খুব খুশি। এতে ধানের চারা তাড়াতাড়ি বড় হবে। পানির জন্য আর টেনশন করা লাগবেনা। একই গ্রামের কৃষক আনু মিয়া বলেন, এবছর শুষ্ক মৌসুমের শুরু থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে, খাল বিলেও এবার পানি পাওয়া যায়নি। বৃষ্টি হওয়ায় গাছ ও ফসলের জন্য ভালো হয়েছে। কানলার হাওরের কৃষক দ্বীন ইসলাম বলেন, এখন আর টাকা খরচ করে পানি দেওয়া লাগবে না। বৃষ্টি না হলে পানির জন্য বাড়তি টাকা খরচ করা লাগতো। তিনি আরো বলেন, এতোদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোকা মাকড়ের উপদ্রপ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন ফসলের বিভিন্ন রকম ক্ষতিকর পোকা মারা যাবে। দোয়ারাবাজার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, হাওরপাড়ের মানুষের আয়ের একমাত্র উৎস কৃষি। বোরো ধানকে ঘিরেই নতুন বছরে বৈশাখী উৎসবে মেতে উঠার স্বপ্নে বিভোর থাকেন কৃষকেরা। বোরো ধানের ফসলের ভালো উৎপাদনের জন্য বৃষ্টির খুব প্রয়োজন ছিলো। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের ভালো উৎপাদন আশা করা যাচ্ছে। এবার উপজেলা জুড়ে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ১২ হাজার ৯০১ হেক্টর। দোয়ারাবাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ মহসিন বলেন, বোরো ধানে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা এবার যতটুকু নির্ধারণ করা হয়েছিল তা পূরণ হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় বোরো ধানের চারা এখন সতেজ হয়েছে। আমরা আশাবাদী এই বৃষ্টিতে বোরোধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ