সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

দেশজুড়ে প্রাদুর্ভূত গণপিটুনি প্রতিরোধে করণীয় প্রসঙ্গে

  • আপলোড সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ১২:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৩-২০২৫ ১২:২১:১৭ পূর্বাহ্ন
দেশজুড়ে প্রাদুর্ভূত গণপিটুনি প্রতিরোধে করণীয় প্রসঙ্গে
আমরা বাংলায় যেটাকে গণপিটুনি বলছি সেটাকেই বোধ করি ইংরেজি ভাষায় ‘মব জাস্টিস’ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। আমরা যখন ওয়েস্টার্ন গল্প-উপন্যাস পড়ি মাঝে মাঝেই কাহিনীর ভেতরে ‘মব’ এর ঘটনা ঘটে থাকে। গল্পসূত্রে বলা যায়, সেটা এমন কীছু, যাতে কীছু মানুষ কোনও দোষী মানুষকে তার অপরাধমূলক কৃতকর্মের শাস্তি দিতে তাকে ধরে কোনও গাছের ডালে ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেলে। এই ‘মব’ সাধারণত ন্যায় প্রতিষ্ঠার্থে তৈরি হয় অথবা কোনও কুচক্রী ব্যক্তি বা মহল কর্তৃক কোনও না কোনও স্বার্থ হাসিলের দুরভিসন্ধিতে অনুপ্রাণিত হয়ে কোনও নির্দোষীকে কার্যত হত্যা করে। আমাদের দেশে সংঘটিত গণপিটুনি প্রকারপ্রকরণে এই ‘মব’-এর মতোই অনেকটা। ইদানিংকার গণমাধ্যম বলছে, দেশে এবংবিধ কার্যকলাপ অধিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, “গত সাত মাসে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) দেশে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১১৪টি। এতে নিহত হয়েছেন ১১৯ জন। শুধু যে জনতা মব জাস্টিসের শিকার হচ্ছে তা নয়, বাদ যাচ্ছে না পুলিশ কিংবা বিদেশি নাগরিকেরাও। গত ছয় মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ২২৫টি।” এই ‘মব’ কিংবা ‘মব জাস্টিস’, অথবা ‘গণপিটুনি’ যে নামেই বিষয়টিকে অভিহিত করি না কেন, সেটাতে কোনও ‘জাস্টিস’ অথবা যাকে বলে ‘ন্যায়’ আছে বলে মনে হয় না। তেকারণে এই ‘গণপিটুনি’র বিস্তারবিস্তৃতিকে প্রতিরোধ করতেই হবে এবং তা করতে গেলে ‘মব’ সংঘটনের কারণগুলোকে প্রতিহত করতে হবে। অভিজ্ঞমহলের ধারণা, দেশের বেসরকারি মানুষ আইন প্রয়োগ ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। আইন ও আইন প্রয়োগের প্রতি বেসরকারি মানুষের আস্থাহীনতার কারণে গণপিটুনির ঘটনা বেড়েছে এবং দিনের পর দিন এসব বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাই আস্থা ফিরিয়ে আনতে না পারলে গণপিটুনি বন্ধ হবে না এবং আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারকে একসঙ্গে দুটি কাজে সফল হতে হবে। গণপিটুনি প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রশাসনিক আইন ও আইনের প্রয়োগকে যথার্থ মাত্রায় কার্যকর করতে হবে এবং সমাজের অভ্যন্তরে গণপিটুনি সৃষ্টির সমাজসাংস্থিতিক কিংবা মানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আর্থনীতিক ও রাজনীতিক কারণকে নির্মূল করতে হবে। প্রশাসনের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সর্বত্র দুর্নীতিকে জিইয়ে রেখে ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনি প্রতিরোধ করা কীছুতেই সম্ভব নয় এবং তারও আগে চাই আইনপ্রয়াগে দাপ্তরিক পরিসরে ও মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত কর্মীবাহিনীর যোগ্যতা ও দক্ষতার উন্নয়ন। বিষয়টা বলা যতো সহজ করা ততো সহজ নয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ