সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে বিপদ, উন্নয়নের নামে আত্মঘাতী পথচলা অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা ক্ষেতে-খলায় নষ্ট হচ্ছে ধান যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক

ঝুলে আছে খাসিয়ামারা সেতু নির্মাণ

  • আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৫ ১১:৩১:০০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৫ ১১:৩১:০০ অপরাহ্ন
ঝুলে আছে খাসিয়ামারা সেতু নির্মাণ
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী :: ঝুলে আছে দোয়ারাবাজার উপজেলার আলীপুর খাসিয়ামারা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ। এখনো বাকি আছে দুই গার্ডার, আর ২৫ মিটার পিচ ঢালাই। এ কারণে দীর্ঘ ৫০ বছরের গ্লানি রশি টেনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার হতে হচ্ছে এখানকার বাসিন্দাদের। আর কত বছর ঝুলে থাকলে টনক নড়বে ঠিকাদার আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের? এমন প্রশ্ন এখন জনমনে। তিন বছর অব্দি শেষ হলেও খাসিয়ামারা নদীর সেতুর নির্মাণকাজের কোন তদারকি নেই স্থানীয় এলজিইডি অফিস কর্তৃপক্ষের। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিকে সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে রশি টেনে খেয়া পারাপার হতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, নারী-শিশুসহ সাধারণ লোকজনদের। দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুরে এই সেতুটির অবস্থান। জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে ৫০০ মিটার চেইনেজে ৭৫ মিটার পিসি গার্ডারের খাসিয়ামারা সেতুর নির্মাণ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ২০২২ সালে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর-টেংরাটিলা খেয়াঘাটে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ আছে। এসব দেখার কেউ নেই। ঠিকাদারের অবহেলা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাব আছে। না হয় সেতুর কাজ এতোদিন ধরে বন্ধ থাকে কিভাবে। গত শুকনো মৌসুমে পুরোদমে কাজ চললে এক বছরেই সেতুর কাজ শেষ হয়ে যেত। একই গ্রামের মৎস্যচাষী দ্বীন ইসলাম, জাকির হোসেন, রফিক মিয়া ও ব্যবসায়ী মুন্তাজ মিয়া বলেন, সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় মাছের খাদ্যসহ কৃষিপণ্য ও অন্য মালামাল পরিবহন করতে আমাদের বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে আমাদের লোকসান হচ্ছে। আলীপুর গ্রামের মৎস্যচাষী আব্দুর রহিম বলেন, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পারাপারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। স্রোত বাড়লে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। সেতুটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা উচিত। জানতে চাইলে ঠিকাদার শংকর কুমার দেব দায়সারা বক্তব্য দিয়ে বলেন, মিস্ত্রী সমস্যা এবং মালামাল পরিবহনের সমস্যার কারণে কাজ শেষ করা যায়নি। শীঘ্রই কাজ সমাপ্ত করা হবে। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, খাসিয়ামারা সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার জানিয়েছেন, দু’চার দিনের মধ্যে কাজ শুরু করবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স