সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

বজ্রপাতের আতঙ্কে সুনামগঞ্জ : সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৫ ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৫ ০১:১১:১৮ পূর্বাহ্ন
বজ্রপাতের আতঙ্কে সুনামগঞ্জ : সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন
সাম্প্রতিক সময়ে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। প্রতিবার বর্ষার মৌসুম এলেই এই অঞ্চলের মানুষ শঙ্কায় দিন কাটায় - বজ্রপাত কবে কোথায় ঘটবে, কে এর শিকার হবেন, তার কোনো পূর্বাভাস নেই। কিছুদিন আগে বজ্রপাতে প্রাণহানি ও আহতের খবর আমাদের আবারও সতর্ক করে দিয়েছে যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে টেকসইভাবে মোকাবিলা করার জন্য শুধুমাত্র করুণা বা কাকতালীয় রক্ষা যথেষ্ট নয়; দরকার পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সচেতনতা। সুনামগঞ্জ একটি হাওর অধ্যুষিত এলাকা। খোলা আকাশ, সমতল ভূমি ও বিস্তীর্ণ জলরাশির কারণে এখানে বজ্রপাতের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। কৃষকেরা যখন হাওরে ধান কাটতে যান, তখন তারা খোলা পরিবেশে অবস্থান করেন - যা বজ্রপাতের সময় মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। প্রায়ই দেখা যায়, একটি বজ্রপাতেই একইসঙ্গে একাধিক প্রাণহানি ঘটে। এই বাস্তবতায় আমাদের এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। প্রথমত, বজ্রপাত সম্পর্কিত গণসচেতনতা বাড়াতে হবে- বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, হাটবাজারে প্রচার চালাতে হবে কীভাবে বজ্রপাতের সময় নিরাপদে থাকা যায়। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে প্রযুক্তির সহায়তায় পূর্বাভাস প্রচার জোরদার করতে হবে। মোবাইল এসএমএস, মসজিদের মাইক ব্যবহারের মাধ্যমে সতর্কতার জানান দিতে হবে। তৃতীয়ত, বজ্রনিরোধক টাওয়ার ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে হাওরের মাঝে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আশেপাশে। আমরা জানি, বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা - তবে এর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা আমাদের হাতে। তাই সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জকে বজ্রপাতজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে অনেকাংশেই রক্ষা করা সম্ভব। এই প্রয়াস যেন থেমে না যায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স