সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

পল্লী বিদ্যুৎ নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তর আসছিল ‘বিশেষ ডিভাইসে’

  • আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৫ ১১:০৫:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৫ ১২:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন
পল্লী বিদ্যুৎ নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তর আসছিল ‘বিশেষ ডিভাইসে’
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডার-কাম মেসেঞ্জার পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ‘বিশেষ ডিভাইস’ ব্যবহার করে উত্তরপত্র পূরণের সময় ১২০ জন পরীক্ষার্থী হাতেনাতে ধরা পড়েছেন।
তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ না করায় কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি আবুল কালাম।
শুক্রবার বিকেলে শহরের পাঁচটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রগুলো হল- সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়, উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

পুলিশ ও পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতারকচক্রের সঙ্গে ৫-৬ লাখ টাকার চুক্তিতে এই পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে আসেন। পরীক্ষা শুরুর পরই দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ করেন। ৫০ মিনিটের ৬০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষায় কিছু পরীক্ষার্থী প্রশ্ন না পড়েই উত্তর দাগাচ্ছিলেন।
এ সময় তাদের কাছ থেকে বিশেষ ধরনের ডিভাইস উদ্ধার করা হয়, যা দেখতে ব্যাংক কার্ডের মত এবং ক্ষুদ্র কর্ডলেস ইয়ারফোনের সঙ্গে যুক্ত। এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীরমধ্যে ৫৬ জন বহিষ্কৃত হয়েছেন এভাবে জালিয়াতির অভিযোগে। এই কেন্দ্রের শিক্ষক বিজয় তালুকদার জানান, প্রথমে একজনের জালিয়াতি ধরে ফেলার পর বাকিদের কাছেও একই ডিভাইস পাওয়া যায়। কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অনেকের কান থেকে ইয়ারফোনটি বের করেন। কেউ শার্টের কলারে, কেউ আবার বেল্টে ডিভাইসের অংশ লুকিয়ে রেখেছিলেন। শিক্ষকদের জিজ্ঞাসাবাদে ওই প্রার্থীরা বলেছেন, ডিভাইসগুলো মোবাইল সিম দিয়ে চালাতে হয়। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর অপর প্রান্ত থেকে তাদের উত্তর বলে দেওয়া হচ্ছিল। এইচএমপি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রেমানন্দ বিশ্বাস বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে জালিয়াতির ঘটনা সুনামগঞ্জে এই প্রথম। অংশগ্রহণকারী কেউ স্থানীয় নয়; তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সহায়তায় এ কাজ করেছে।
​​​​​পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মিলন কুমার কুন্ডু জানান, পাঁচটি কেন্দ্রে মোট ১,৩০০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। আগেই সতর্কবার্তা থাকায় পরীক্ষা চলাকালে এসব জালিয়াতি ধরা পড়ে। পুলিশকে বলা হয়েছে মূল চক্র শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। মূল চক্রের সন্ধান জরুরি। না হলে তারা আগামীতে সব পরীক্ষায় এমন অনিয়ম করবে। তবে কাউকে আটক করা হয়নি

জানিয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কোনো লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ না থাকায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স