সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন

  • আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৫ ১২:২১:০০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৫ ১২:২১:০০ পূর্বাহ্ন
নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন
সুরমা নদীর ভাঙনে প্রতিনিয়ত বসতভিটা, কৃষিজমি ও শত শত মানুষের স্বপ্ন বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ এখন চরমে। ষাটোর্ধ্ব মোজাহিদ মিয়া ও সত্তরোর্ধ্ব দুলাল মিয়ার জীবনকাহিনী যেন পুরো গ্রামের বাস্তবতা তুলে ধরে- নদী গিলে নিচ্ছে তাদের পুরোনো স্মৃতি, বাস্তবতা আর জীবনের নিরাপত্তা। নদী ভাঙন বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা হলেও অনেক স্থানে এখনো এর কার্যকর সমাধান আসেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, শত কোটি টাকার নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প থেকেও মাছিমপুর গ্রামকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায় - এটি যদি সত্য হয়, তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুর্ভাগ্যজনক। নদী ভাঙন কোনো দলীয় বা গোষ্ঠীগত সমস্যা নয়; এটি একটি মানবিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সংকট। প্রশাসনের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের পক্ষ থেকে একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে রিপোর্ট পাঠানোর কথা বলা হলেও, সেটি যেন আরেকটি ‘দায়সারা আশ্বাসে’ পরিণত না হয়। আমরা দাবি জানাই: পশ্চিম ও পূর্ব মাছিমপুরকে অগ্রাধিকার দিয়ে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। বিগত প্রকল্পে বাদ পড়ার কারণ খতিয়ে দেখা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য জরুরি পুনর্বাসন ও সহায়তা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। ভবিষ্যতের জন্য টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে। যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে শুধু মাছিমপুর নয়, সুরমার পাড়ঘেঁষা বহু জনপদ একদিন মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। সময় আছে, কিন্তু তা দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। তাই নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স