সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

রাষ্ট্রের মৌলিক স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে

  • আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ১০:১৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৫ ১০:১৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
রাষ্ট্রের মৌলিক স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে যেভাবে পরিকল্পিতভাবে মানুষ ঠেলে (পুশ ইন) দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী। আগে এমন ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে দেখা গেলেও এখন যেভাবে এটি ধারাবাহিক ও সংগঠিত রূপে ঘটছে, তাতে একে আর ‘অনুপ্রবেশ’ বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এটি ভারতের একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা প্রভৃতি রাজ্যে এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে যে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হয়েছে, তার বোঝা বাংলাদেশকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা বহু আগেই শুরু হয়েছে। এসব রাজ্যের অভ্যন্তরীণ চাপ হালকা করতে এবং রাজনৈতিক দায় এড়াতে ভারতের পক্ষ থেকে কিছু নিরীহ ও পরিচয়হীন মানুষকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে জোরপূর্বক সীমান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, এদের ভাষা, উচ্চারণ এমনকি সামাজিক যোগাযোগেও বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো মিল নেই। এমন আচরণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন। পাশাপাশি, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি ও সীমান্ত নিরাপত্তা নীতিরও সু¯পষ্ট অবমাননা। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উচিত কেবল মানবিকতা নয়, কূটনৈতিক দৃঢ়তা দেখানো। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় ফোরামগুলোকে সক্রিয় করে ভারতকে এ বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া দরকার। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ তুলে ধরা জরুরি। কেবল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বা আলোচনার আশ্বাস দিয়ে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা। সীমান্তের কাঁটাতার শুধু ভৌগোলিক সীমারেখা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রতীক। আমাদের সীমান্ত যেন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দায়মুক্তির ডা¤িপং গ্রাউন্ডে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে এখনই। এই লক্ষ্যে সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিজিবি-সহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে আরও তৎপর ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। তার সীমান্তরক্ষা, জনমিতিক ভারসাম্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষার দায় কোনোভাবেই অবহেলার জায়গা নয়। রাষ্ট্রের এই মৌলিক স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের এখনই কার্যকর, সুসংহত এবং কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স