সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

  • আপলোড সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:১৮:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা ছবি: নদীর পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের নিয়ামতপুর এলাকায় রক্তি নদীর তীর দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় নদীর প্রশস্থতা কমে খালে পরিণত হয়েছে। তাই নদীটি বাঁচাতে এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ জানান, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবৎ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। নদীর দক্ষিণের তীর ক্রমান্বয়ে এই অবৈধ বসতিরা দখল করে আসছেন। অবৈধ স্থাপনা হিসাবে বসতঘর, ফসলি জমি রয়েছে। যার ফলে রক্তি নদী এখন খালে পরিণত হয়েছে। এই অবৈধ বসতিদের কারণে বর্ষায় হাওরের জমিতে পানির বিস্তৃতি ঘটতে বাধার সম্মুখিন হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রক্তি নদীর দক্ষিণ তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় এখন তা গ্রামে পরিণত হয়েছে। নদী সংকীর্ণ হয়েছে। নদীর নাব্যতা ও প্রশস্থতা হারিয়েছে। তাই দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা সুফি মিয়া বলেন, নদী খনন করে গভীর ও প্রশস্থতা বাড়ানো হলে নৌযান চলাচলে কোনো অসুবিধা হবে না। এই জন্য আগে নদীর তীরের অবৈধ বসতিদের উচ্ছেদ করতে হবে। আলী আহসান বলেন, রক্তি নদীর তীরে সরকারি খাস জায়গায় এখন পাকা দালানকোঠা নির্মাণ হচ্ছে। অবৈধ বসতিরা মনে করেন এটা তাদের রেকর্ডিয় জায়গা। আমরা এই রক্তি নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানাই।
অবৈধ বসতি ময়না মিয়া বলেন, সকলে জায়গা দখল করে বসতভিটা গড়ে তোলেছে। তাই আমিও বসতভিটা ও দোকানপাট নির্মাণ করেছি। সরকার উচ্ছেদ করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। অবৈধ বসতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রক্তি নদীর তীরজুড়ে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এই হিসাবে আমিও এক কেয়ার জায়গা দখল করে বসতভিটা করে আছি। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের নলুয়ারপাড় গ্রামে।
অবৈধ বসতি মোহাম্মদ ফাইজুল হক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। আমি জানি এই জায়গা রক্তি নদীর তীরে অবস্থিত। এটা সরকারি খাস জায়গা। এটার শ্রেণী পরিবর্তন না করলে আমরা বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করতে পারছি না। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের ফিরোজপুর গ্রামে। এছাড়াও সন্তোষ রায়ের একাধিক পাকা দোকানঘর ও টিপু মিয়ার দোকানঘর রয়েছে।
পৈন্দা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার শম্পা দাস বলেন, রক্তি নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেব।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিন বলেন, আমি নতুন এসেছি। অভিযোগের বিষয়ে আমার জানা নেই। এখন বিষয়টি জেনেছি। তাই সরেজমিন গিয়ে ব্যবস্থা নেবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স