সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতিমূলক সভা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধা, সুনামগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব

রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

  • আপলোড সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:১৮:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা ছবি: নদীর পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের নিয়ামতপুর এলাকায় রক্তি নদীর তীর দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় নদীর প্রশস্থতা কমে খালে পরিণত হয়েছে। তাই নদীটি বাঁচাতে এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ জানান, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবৎ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। নদীর দক্ষিণের তীর ক্রমান্বয়ে এই অবৈধ বসতিরা দখল করে আসছেন। অবৈধ স্থাপনা হিসাবে বসতঘর, ফসলি জমি রয়েছে। যার ফলে রক্তি নদী এখন খালে পরিণত হয়েছে। এই অবৈধ বসতিদের কারণে বর্ষায় হাওরের জমিতে পানির বিস্তৃতি ঘটতে বাধার সম্মুখিন হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রক্তি নদীর দক্ষিণ তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় এখন তা গ্রামে পরিণত হয়েছে। নদী সংকীর্ণ হয়েছে। নদীর নাব্যতা ও প্রশস্থতা হারিয়েছে। তাই দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা সুফি মিয়া বলেন, নদী খনন করে গভীর ও প্রশস্থতা বাড়ানো হলে নৌযান চলাচলে কোনো অসুবিধা হবে না। এই জন্য আগে নদীর তীরের অবৈধ বসতিদের উচ্ছেদ করতে হবে। আলী আহসান বলেন, রক্তি নদীর তীরে সরকারি খাস জায়গায় এখন পাকা দালানকোঠা নির্মাণ হচ্ছে। অবৈধ বসতিরা মনে করেন এটা তাদের রেকর্ডিয় জায়গা। আমরা এই রক্তি নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানাই।
অবৈধ বসতি ময়না মিয়া বলেন, সকলে জায়গা দখল করে বসতভিটা গড়ে তোলেছে। তাই আমিও বসতভিটা ও দোকানপাট নির্মাণ করেছি। সরকার উচ্ছেদ করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। অবৈধ বসতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রক্তি নদীর তীরজুড়ে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এই হিসাবে আমিও এক কেয়ার জায়গা দখল করে বসতভিটা করে আছি। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের নলুয়ারপাড় গ্রামে।
অবৈধ বসতি মোহাম্মদ ফাইজুল হক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। আমি জানি এই জায়গা রক্তি নদীর তীরে অবস্থিত। এটা সরকারি খাস জায়গা। এটার শ্রেণী পরিবর্তন না করলে আমরা বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করতে পারছি না। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের ফিরোজপুর গ্রামে। এছাড়াও সন্তোষ রায়ের একাধিক পাকা দোকানঘর ও টিপু মিয়ার দোকানঘর রয়েছে।
পৈন্দা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার শম্পা দাস বলেন, রক্তি নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেব।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিন বলেন, আমি নতুন এসেছি। অভিযোগের বিষয়ে আমার জানা নেই। এখন বিষয়টি জেনেছি। তাই সরেজমিন গিয়ে ব্যবস্থা নেবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ