সুনামগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ , ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব তাহিরপুরে নামমাত্র শিশু পার্ক, দুই বছরেও চালু হয়নি কার্যক্রম জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠল গাগলী সুপার লীগ সিজন-৪ এর এইচএসসিতে সুনামগঞ্জের দুই কলেজে পাস করেনি কেউ শাল্লায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ তাহিরপুরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়, অর্ধেকই ফেল, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, প্রতিবাদে সোচ্চার বিএনপি নেতাকর্মীরা

মাদকমুক্ত শহরের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ এখনই প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ৩০-০৬-২০২৫ ১২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৬-২০২৫ ১২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
মাদকমুক্ত শহরের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ এখনই প্রয়োজন
সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের ভয়াল ছোবল দিন দিন গ্রাস করছে আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। বিশেষ করে উকিলপাড়ার সুরমা নদী তীরবর্তী ‘বেকারিঘাট’ এলাকা, তেঘরিয়া, আরপিননগর, বড়পাড়া, সুলতানপুর, ষোলঘর, ধোপাখালি, নবীনগরসহ অন্তত এক ডজন এলাকায় মাদক কারবারিদের বিচরণ এবং বিস্তার দেখে আমরা চরমভাবে উদ্বিগ্ন। সন্ধ্যা নামতেই এইসব এলাকায় বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়, চলছে প্রকাশ্য ও গোপনভাবে ইয়াবা, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের বিকিকিনি। অথচ এলাকাবাসী চিহ্নিত এসব মাদক কারবারিদের উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত হলেও ভয়ের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এখন প্রশ্ন হলো- এতসব তথ্য স্থানীয় মানুষ জানে, সংবাদকর্মীরা জানেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানেন না কেন? নিশ্চয়ই জানেন। তাহলে কেন এইসব মাদকচক্র এখনো সক্রিয়? কেন তাদের আড়ালে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়ছে শহরের আনাচে-কানাচে?
আমরা চাই, কোনো অভিযান যেন লোক দেখানো কর্মসূচিতে পরিণত না হয়। সে বিষয়ে প্রশাসনকে আরও সজাগ ও তৎপর হতে হবে। কারণ একটি সমাজে যখন উঠতি বয়সের তরুণরা মাদকের ছোবলে দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন শুধু পরিবার নয়, গোটা জাতির ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়।
মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এখন আর কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ নয়, বরং এটি হওয়া উচিত সমাজের সম্মিলিত লড়াই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
অবশ্যই বলতে হবে, এই পরিস্থিতি আর চলতে দেওয়া যায় না। আমাদের সন্তানদের রক্ষা করতে হলে এখনই শক্ত হাতে মাদক ব্যবসা বন্ধে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিতে হবে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে চিহ্নিত মাদক স্পটগুলোতে একযোগে অভিযান চালানো যেতে পারে। একইসাথে প্রয়োজনে সেসব এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে, যাতে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিরোধ সহজ হয়।
মাদক সমাজের বিষফোঁড়া। এই বিষ যদি এখনই উপড়ে ফেলা না যায়, তবে তা গোটা সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। তাই দেরি নয়, মাদকমুক্ত শহর গড়তে এখনই চাই রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দৃঢ়তা এবং জনসম্পৃক্ততা উদ্যোগ। সুনামগঞ্জবাসী একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সচেতন শহর চায় - এই আকাঙ্খাকে বাস্তবে রূপ দিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা রাখতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ

প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ