সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

শিক্ষক সংকট নিরসন করুন

  • আপলোড সময় : ১১-০৭-২০২৫ ০৮:০০:৩০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৭-২০২৫ ০৮:০০:৩০ পূর্বাহ্ন
শিক্ষক সংকট নিরসন করুন
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি যদি হয় শিক্ষক, তাহলে আজ সেই চালিকাশক্তি ভেঙে পড়ছে অব্যবস্থাপনা, উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে। তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট সেই বাস্তবতার প্রতিফলন। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় তিন যুগ পেরিয়ে এখনও শিক্ষক সংকটে কাতর। ১১টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুইজন শিক্ষক ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব পালন করছেন - এটি কেবল বিস্ময়ের নয়, চরম বেদনাদায়ক বাস্তবতা। নেই প্রধান শিক্ষক, নেই ইংরেজি, বাংলা, গণিত কিংবা কৃষি শিক্ষার শিক্ষক। নেই পর্যাপ্ত প্রশাসনিক জনবলও। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে একটি বিদ্যালয় শিক্ষার আলো ছড়াবে? বরং এখানকার শিক্ষার্থীরা যেন ‘উন্নয়নের যুগে’ থেকেও শিক্ষার অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে, শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়-এর অবস্থাও আলাদা নয়। ৫৩টি পদের মধ্যে ১৭টি শূন্য - গত দুই মাসেই পাঁচজন শিক্ষক বদলি হয়ে গেছেন। অথচ নতুন কোনো শিক্ষক পদায়ন হয়নি। নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের সিলেবাস অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে, ফলাফল খারাপ হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়মুখিতা কমে যাচ্ছে, কোচিং নির্ভরতা বাড়ছে। এতে একদিকে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে বেসরকারি ব্যয়বহুল শিক্ষা পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে - যা সামগ্রিকভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন, একজন বলছেন “আমার কিছুই করার নেই”, আরেকজন বলছেন “বদলির সময় বুঝে করতে হবে” কিন্তু এই দায় এড়ানো দিয়ে কি একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনা যাবে? একদিকে হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের জন্য দুই-তিনজন শিক্ষক নিয়োগ দিতে বছরের পর বছর লাগে - এ কোন উন্নয়ন? আমরা জোর দাবি জানাই- অবিলম্বে তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে। জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ দিতে হবে ও বদলি বন্ধ করতে হবে। এছাড়া একটি জাতীয় পর্যায়ের জরুরি সমীক্ষা পরিচালনা করে সুনামগঞ্জসহ দেশের সব বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট চিহ্নিত করে তা সমাধানে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ