সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অপরিকল্পিত বাঁধে বিপদ, উন্নয়নের নামে আত্মঘাতী পথচলা অপরিকল্পিত বাঁধ ও উন্নয়ন এখন হাওরের গলার কাঁটা ক্ষেতে-খলায় নষ্ট হচ্ছে ধান যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত অপরিকল্পিত বাঁধে হাওরে সর্বনাশ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত লক্ষাধিক হেক্টর জমির ফসল শনিবার সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিসি ব্লক চুরির অভিযোগ উন্নয়ন প্রকল্পে বদলাচ্ছে ৫ বিদ্যালয়ের অবয়ব দিরাইয়ে ৬ দোকান পুড়ে ছাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল আজ মহান মে দিবস তাহিরপুরে ভাঙারখাল নদীর উপর টোল-ফ্রি বাঁশের সেতু নির্মাণ, স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ৬৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মে, থাকছে ৪৯৮ প্রস্তাব সুনামগঞ্জসহ ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উদযাপিত জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেল ছায়ার হাওর কাটা ধানে গজাচ্ছে চারা জলাবদ্ধতায় ডুবছে হাওরের ধান, অসহায় কৃষক
দোয়ারাবাজারে ছয় পরিবার আজও অন্ধকারে

বিদ্যুৎ খুঁটি উঠোনে, তবু ঘরে নেই আলো!

  • আপলোড সময় : ২১-০৭-২০২৫ ১১:২১:০৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৭-২০২৫ ১১:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন
বিদ্যুৎ খুঁটি উঠোনে, তবু ঘরে নেই আলো!
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী ::
দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের আগুনরায়ের গাঁও গ্রামের প্রতিটি ঘরে যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলছে, তখন একই গ্রামের ছয়টি পরিবার আজও অন্ধকারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অবাক করার মতো হলেও সত্য- যাদের উঠোন দিয়েই পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি ও বৈদ্যুতিক তার গেছে, তাদের ঘরেই নেই বিদ্যুৎ সংযোগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যুতায়নের প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও এই পরিবারগুলো এখনো সৌরবিদ্যুতের টিমটিম আলো, মোমবাতি কিংবা হ্যারিকেনের ওপর নির্ভর করেই রাত পার করছে। বর্ষার দিনে সৌরবিদ্যুতের আলো না থাকলে জীবন চলে কুপি বাতির কষ্টসাধ্য আলোয়। এই ছয়টি পরিবার টিনশেড ও আধাপাকা ঘরে বসবাস করেন। তারা বিদ্যুতায়নের কিছুদিন পর বসতভিটা গড়ে এখানে ঘর তোলেন। আশেপাশের অন্য ঘর থেকে তাদের ঘরগুলোর দূরত্ব মাত্র ৫০-৬০ মিটার হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি তারা। অথচ বিদ্যুৎ খুঁটি ও তার একই লাইনে থাকার পরও সংযোগ না মেলায় প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যুৎ বিতরণে ন্যায্যতা ও প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান বলেন, ৬-৭ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে ঘুরছি। কিন্তু কেউ বিদ্যুৎ দেয়নি। যারা এসেছিল, তারা বলেছিল ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা দিলে সংযোগ মিলবে। এত টাকা আমাদের মতো মানুষের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। একই এলাকার হনুফা বেগম বলেন,আমাদের উঠোন দিয়েই বৈদ্যুতিক খুঁটি গেছে, তারও গেছে, কিন্তু আলোটা যায়নি ঘরে। সন্ধ্যার পরে শিশুদের নিয়ে কষ্ট করে থাকতে হয়। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম বলেন,পাশের ঘরে বিদ্যুৎ আছে, অথচ আমাদের ঘরগুলো অন্ধকারে থাকে। লেখাপড়ার সময় অনেক কষ্ট হয়। রাতে প্রচন্ড গরমে ঘুমাতে পারি না, সন্ধ্যার পর লেখাপড়া করতে পারি না। এই বিষয়ে দোয়ারাবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির এজিএম আব্দুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা আবেদন করলে আমরা খতিয়ে দেখব।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ বলেন, বিষয়টি সত্যিই অদ্ভুত। আমি পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স