সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬ , ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধন ও স্বত্ব ফেরতের দাবি হাওরে স্কুলযাত্রায় জীবনের ঝুঁকি, নিরাপদ নৌযান এখনো অধরা ১৬১৩ শিক্ষকের পদ শূন্য, ৪৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক মইয়ার হাওরে নৌকাডুবিতে নিহত ২, নিখোঁজ ২, ভবানীপুরে শোকের মাতম জামালগঞ্জে হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি বালুর নিচে হাজার বিঘা কৃষিজমি, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা হবিগঞ্জে সারজিস ও নাসীরুদ্দীনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা সরকার নৈতিক দিক থেকে দেশ পরিচালনার অধিকার হারিয়েছে : জামায়াত আমির একটি মহল সচেতনভাবে ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করছে : মির্জা ফখরুল আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বিভক্তির চিত্র, ৬ ও ৮ আগস্ট পৃথক সমাবেশের ডাক উড়াল সড়ক প্রকল্প পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন, স্মারকলিপি, ধর্ষকের ফাঁসির দাবি ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪ দাবি মেনে নতুন টোল নির্ধারণ, নদীপথে স্বাভাবিক হচ্ছে পণ্য পরিবহন সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর আদেশ স্থগিত তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত : দীনেশ ত্রিবেদী চার্জশিট থেকে মূল আসামিসহ ৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ধোপাজান-চলতি নদীতে বালু লুট বন্ধের দাবি মানব সমাজ, সৃজনশীলতা ও সভ্যতার বিবর্তন : সৃষ্টি ও ধ্বংসের এক অনন্ত মহাকাব্য

হারিয়ে যাচ্ছে হাসন রাজার স্মৃতিচিহ্ন

  • আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৫ ১১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৫ ১১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন
হারিয়ে যাচ্ছে হাসন রাজার স্মৃতিচিহ্ন
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: ‘লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালা না আমার, কি ঘর বানাইমু আমি শূন্যেরও মাঝার’ মরমি কবি দেওয়ান হাসন রাজার এ গানের মতোই আজ ভালো নেই সিলেটের বিশ্বনাথের তার পৈতৃক জমিদার বাড়ি। অসংখ্য কালজয়ী মরমী গানের অমর স্রষ্টা, প্রভাবশালী এ রাজার রামপাশা গ্রামের বাড়ি ভগ্নদশায় টিকে আছে কোন মতে। অযত্ন-অবহেলায় নিশ্চিহ্নের পথে তার স্মৃতি চিহ্ন। একাধিকবার রক্ষার দাবি উঠলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, হাসন রাজার পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন রামপাশা এলাকার প্রভাবশালী জমিদার। তার আওতায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশার ও সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীর জমিদারী ছিল। হাসন রাজারা ছিলেন দুই ভাই। তার বাবার পরে লক্ষণশ্রীর জমিদারী দেখাশোনা করতেন তিনি আর রামপাশার জমিদারী দেখাশোনা করতেন তার বড়ভাই উবাইদুর রাজা চৌধুরী। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে বড়ভাই মারা গেলে মাত্র ১৫ বছর বয়সে দুই জমিদারীর দায়িত্ব পড়ে হাসন রাজার হাতে। প্রারম্ভে জমিদারির মূল দেখাশুনা করতেম তার মা হুরমত জাহান। প্রথম জমিদারী বয়সে হাসন রাজা ভোগবিলাসী জীবনযাপন করলেও পরবর্তীতে এক আধ্যাত্মিক স্বপ্নের মাধ্যমে পাল্টে যায় তার জীবনের মোড়। ভোগ-বিলাসিতা ছেড়ে শুরু করেন সাধারণ জীবনযাপন। সরেজমিন দেখা যায়, বাড়িটিতে ধ্বংসাবশেষ ছাড়া অবশিষ্ট নেই তেমন কিছুই। পরিত্যক্ত বাড়িটি ঘিলে খাচ্ছে আগাছা-পরগাছা। ক্ষয়ে ক্ষয়ে পড়ছে স্থাপনার ইট-পেলেস্তারা। কোনো মতে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি দ্বিতল কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ঘর, একটি ছাদবিহীন পাকা ঘর ও লতাগুল্মে ঘেরা একটি ধ্বংসপ্রায় দেয়াল। দুটি ঘরই দরজা-জানালাবিহীন। আছে জমিদার আমলের একটি বিশাল দীঘি। বাড়ির সামনেই রয়েছে রাজ পরিবারের পারিবারিক কবরস্থান। বছরজুড়েই হাসন রাজার রামপাশার এ জমিদার বাড়িটি দেখতে আসেন বহু হাসন অনুরাগী, আউল-বাউল, মরমী কবি-গবেষক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন। কিন্তু বাড়িটি দর্শনে এসে সেটির করুণ দশা দেখে হতাশ হয়েই ফিরে যান তারা। স্থানীয়রা জানান, হাছন রাজার শেষ স্মৃতিচিহ্নটুকু সংস্কার বা সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ কখনোই নেয়া হয়নি। এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনন্দা রায় বলেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক মহোদয় বিশ্বনাথ উপজেলার দর্শনীয় স্থানের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাওয়ায় আমি এই উপজেলার একমাত্র সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট হিসেবে হাছন রাজার বাড়ির নাম প্রস্তাব আকারে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু বাড়িটি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জটিলতা ও অনাগ্রহ থাকায় সরকারিভাবে সেটিকে সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন

গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন