সুনামগঞ্জ , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-সিলেট সড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে : সড়কমন্ত্রী দিরাই সরকারি ডিগ্রি  কলেজে ‎"অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছর" ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে ১৭৪ কোটি টাকার কাজ উদ্বোধন ভিপি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম ছাতকে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্যসহ আটক ১ ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? ‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ‎হ্যান্ডবলে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন জামালগঞ্জের আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯

অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনে শাহ আব্দুল করিমের গান ব্যবহার, ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

  • আপলোড সময় : ০২-০৯-২০২৫ ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৯-২০২৫ ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন
অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনে শাহ আব্দুল করিমের গান ব্যবহার, ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটকৃত গান অনুমতি ছাড়াই দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। করিমের ছেলে শাহ নূরজালালের পক্ষে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ। আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোন অনুমতি বা স্বীকৃতি ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের দুটি গান ‘রঙিলা বাড়ৈ’ এবং ‘কোন মিস্তরি নাও বানাইছে’ বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। ২০১৬ এবং ২০২২ সালে প্রচারিত দুটি বিজ্ঞাপনে এসব গান ব্যবহৃত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের ব্যবহার কপিরাইট আইন এবং শিল্পীর নৈতিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। নোটিশে গ্রামীণফোনকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব অনলাইন ও অফলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ওই গানসম্বলিত কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শাহ আবদুল করিমকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকা। প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি করে এই ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আইনি নোটিশ প্রদানকারী ব্যারিস্টার রাজিন আহমেদ বলেন, ‘শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয় - এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রঙিলা বাড়ৈ’, ‘কোন মিস্তরি নাও বানাইছে’ দুইটি গান ব্যাবহার করেছে গ্রামীণফোন। অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার কেবল অবৈধ নয়, বরং চরম অসম্মানজনক। আমরা তার উত্তরাধিকার রক্ষায় আইনের সর্বোচ্চ ব্যবস্থাই গ্রহণ করবো। শাহ আবদুল করিমের ছেলে শাহ নূরজালাল বলেন, আমরা গ্রামের মানুষ। আইন-কানুন অতোটা বুঝি না। বাবার সব গান কপিরাইট করা আছে। এমনি অনেকেই গান করেন সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে গান ব্যবহার করলে আমাদের অনুমতি নেওয়া উচিত। সেখান থেকে যে আয় হয় তারও একটা অংশ আমাদের দেওয়া উচিত। তা না হলে কেমন হয় বিষয়টা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু

‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু