সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ‎হ্যান্ডবলে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন জামালগঞ্জের আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন ‎প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বিশ্বম্ভরপুরে এসআরবি-৯ এর অভিযানে ৩৩ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে জমজমাট নৌকা বাইচ সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কারে কচ্ছপের গতি পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' দেশে ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু : আসক

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মৎস্যজীবী মিন্টুর পরিবারে অন্ধকার, ঘরে নেই খাবার

  • আপলোড সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ০৮:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ০৮:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন
প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মৎস্যজীবী মিন্টুর পরিবারে অন্ধকার, ঘরে নেই খাবার
বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি :: হাওরপাড়ের এক মৎস্যজীবী পরিবার আজ গভীর সংকটে। প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মিন্টু বর্মণ (৩৫)। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ব্যক্তি বর্তমানে কর্মক্ষম নন। ফলে তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে তার পরিবারের জন্য। গত ৩১ আগস্ট বাহাদুরপুর গ্রামের বিজয় বর্মণ (২৪), অজয় বর্মণ (২৮) ও গৌতম বর্মণ (২২) সহ কয়েকজনের আক্রোশের শিকার হন মিন্টু। হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন দোয়ারেরপাড় এলাকায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এসময় তার হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে শয্যাশায়ী অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন। মিন্টুর স্ত্রী রাণী বর্মণ চোখে পানি নিয়ে বলেন, “আমার স্বামী মাছ ধরে সংসার চালাতেন। এখন তিনি কাজ করতে পারছেন না। ঘরে খাবার নেই, সন্তানদের কীভাবে ভরণপোষণ করবো ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।” তাদের তিন সন্তান- মুক্তা বর্মণ (১৩), ঐশি বর্মণ (১০) ও অসিত বর্মণ অভি (৭) এখন পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনের পরিবর্তে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুষেন বর্মণ বলেন, আমরা কয়েকজন না এগিয়ে এলে মিন্টু হয়তো লাশ হয়ে ফিরত। কয়েকজন মিলে তাকে নির্মমভাবে মারধর করেছে। অভিযুক্ত অজয় বর্মণ ও বিজয় বর্মণও হামলার ঘটনা স্বীকার করে জানিয়েছেন, রাগের বশে এ ঘটনা ঘটেছে এবং তারা আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ জানান, গরীব মৎস্যজীবী পরিবারটিকে সহায়তা করতে স্থানীয়রা প্রাথমিক চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা ও সংসার চালাতে সমাজের সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল

সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল