সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬ , ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড সংশোধন ও স্বত্ব ফেরতের দাবি হাওরে স্কুলযাত্রায় জীবনের ঝুঁকি, নিরাপদ নৌযান এখনো অধরা ১৬১৩ শিক্ষকের পদ শূন্য, ৪৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক মইয়ার হাওরে নৌকাডুবিতে নিহত ২, নিখোঁজ ২, ভবানীপুরে শোকের মাতম জামালগঞ্জে হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি বালুর নিচে হাজার বিঘা কৃষিজমি, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কা হবিগঞ্জে সারজিস ও নাসীরুদ্দীনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা সরকার নৈতিক দিক থেকে দেশ পরিচালনার অধিকার হারিয়েছে : জামায়াত আমির একটি মহল সচেতনভাবে ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করছে : মির্জা ফখরুল আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বিভক্তির চিত্র, ৬ ও ৮ আগস্ট পৃথক সমাবেশের ডাক উড়াল সড়ক প্রকল্প পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন, স্মারকলিপি, ধর্ষকের ফাঁসির দাবি ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪ দাবি মেনে নতুন টোল নির্ধারণ, নদীপথে স্বাভাবিক হচ্ছে পণ্য পরিবহন সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর আদেশ স্থগিত তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত : দীনেশ ত্রিবেদী চার্জশিট থেকে মূল আসামিসহ ৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ধোপাজান-চলতি নদীতে বালু লুট বন্ধের দাবি মানব সমাজ, সৃজনশীলতা ও সভ্যতার বিবর্তন : সৃষ্টি ও ধ্বংসের এক অনন্ত মহাকাব্য

আমন আবাদ : কৃষকের মুখে হাসি থাকুক

  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৫ ০৮:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৫ ০৮:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন
আমন আবাদ : কৃষকের মুখে হাসি থাকুক
সুনামগঞ্জের হাওরে এ বছর আমন আবাদ যেন প্রকৃতির এক আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টি - কোনোটিই এ মৌসুমে কৃষিকে বিপর্যস্ত করতে পারেনি। ফলে কৃষক নির্বিঘেœ বীজতলা প্রস্তুত, চারা রোপণ ও পরিচর্যা স¤পন্ন করতে পেরেছেন। কৃষি অধিদপ্তরও জানিয়েছে, এ বছর ৮৩ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে, যার লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৭ মেট্রিক টন চাল। প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদনের সম্ভাবনা প্রবল। এটি নিঃসন্দেহে দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা। তবে এই আশার মধ্যেও কৃষকের কিছু আক্ষেপ রয়েছে। কৃষকরা বলছেন, সরকারের দেওয়া সার ও বীজের প্রণোদনা সীমিত সংখ্যক কৃষকের হাতেই পৌঁছেছে। বাস্তবে আমন আবাদে যেসব কৃষক মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই কোনো সহায়তা পাননি। অথচ বর্তমান সময়ে এক কিয়ার জমিতে চাষাবাদ করতে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়। উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পেলে কৃষকের কষ্ট পুষিয়ে ওঠে না। ফলে বাম্পার ফলনের আনন্দ অনেক সময় কৃষকের ঘরে ধরা দেয় না। আমন ধান শুধু সুনামগঞ্জ নয়, দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কৃষকের সঠিক প্রণোদনা, সময়মতো সার-বীজ সরবরাহ, সুষ্ঠু বাজারব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকি কৃষককে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে। আমরা মনে করি, প্রকৃতি যদি আমনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে থাকে, তবে সরকারের নীতিগত সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনাই হবে এর প্রকৃত পূর্ণতা। কেবল মাঠে উৎপাদন নয়, কৃষকের ঘরে হাসি ফোটাতে হলে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। কৃষকের ঘামে সিঞ্চিত ধানই দেশের খাদ্য ভিত্তি - এ বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন

গনবিজ্ঞপ্তি--সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন