সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব তাহিরপুরে নামমাত্র শিশু পার্ক, দুই বছরেও চালু হয়নি কার্যক্রম জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠল গাগলী সুপার লীগ সিজন-৪ এর

আদিবাসী গ্রামে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিন

  • আপলোড সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০২:১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০২:১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
আদিবাসী গ্রামে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিন
তাহিরপুর সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলের গারো, হাজং ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন। প্রাকৃতিক ঝর্ণা ও ছড়া এ অঞ্চলের একমাত্র পানির উৎস হলেও তা এখন পর্যটকদের অবাধ বিচরণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এ বাস্তবতায় স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠী শুধু পানির সংকটেই নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যেও পড়ছে। ঝর্ণার পানি দিয়ে স্থানীয়রা প্রতিদিনের খাবার, গোসল ও গৃহস্থালি কাজ স¤পন্ন করেন। কিন্তু পর্যটকদের অবাধ বিচরণ, পানির অপচয় ও নোংরা করার কারণে ঝর্ণার পানি ব্যবহারের উপযোগিতা হারাচ্ছে। নারীরা গোসল বা ধোয়ামোছার মতো দৈনন্দিন কাজে যেতে গিয়ে গোপনীয়তা হারাচ্ছেন। পর্যটকদের ছবি ও ভিডিও ধারণ সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিচ্ছে। এর ফলে আদিবাসী কিশোরী থেকে নারী পর্যন্ত সবাইকে বিব্রতকর ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে হচ্ছে। এ সমস্যার গভীরতর দিক হলো, এটি কেবল পানি সংকট নয়, বরং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক টিকে থাকা ও মর্যাদার প্রশ্ন। শুকনো মৌসুমে পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। বারবার আবেদন করার পরও এখনো স্থায়ী সমাধান না পাওয়া রাষ্ট্রীয় দায়িত্বহীনতারই বহিঃপ্রকাশ। পাহাড়ি অঞ্চলে টেকসই নলকূপ বসানো কিংবা পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা সরকারের পক্ষে অসম্ভব নয়। আমরা মনে করি, দ্রুত তিনটি বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি- প্রথমত, সীমান্তবর্তী আদিবাসী গ্রামগুলোতে সরকারিভাবে সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, পর্যটকদের জন্য কঠোর আচরণবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। প্রাকৃতিক ঝর্ণা যে শুধু বিনোদনের স্থান নয়, স্থানীয়দের জীবনরেখা - এ বিষয়টি সবাইকে বোঝাতে হবে। তৃতীয়ত, আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো আবশ্যক। মনে রাখা জরুরি, পর্যটন বিকাশ মানেই স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ নয়। বরং পর্যটন হবে এমন এক শক্তি, যা স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখবে। তাই এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে আদিবাসীদের সুপেয় পানির সংকট ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে হবে। দেরি মানেই সংকটকে আরও ভয়াবহ করে তোলা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ