সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা: এভাবে আর কত প্রাণ ঝরে যাবে?

  • আপলোড সময় : ২৮-০৯-২০২৫ ০২:০০:৪৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৯-২০২৫ ০২:০০:৪৯ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা: এভাবে আর কত প্রাণ ঝরে যাবে?
সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাগলা বাজারের বাঘেরকোণা এলাকায় মা-মেয়েসহ তিনজনের করুণ মৃত্যু আমাদের আবারও নাড়া দিয়ে গেল। মিনি ট্রাকের বেপরোয়া গতি, অটোরিকশার অসহায়ত্ব আর সড়কে নিরাপত্তাহীনতার এই চিত্র কোনো নতুন কিছু নয়। কিন্তু প্রতিবারের মতোই প্রশ্ন জাগে- এভাবে আর কত প্রাণ ঝরে যাবে, আর কত পরিবার অসহায় হয়ে পড়বে? শুক্রবার সকালের এই দুর্ঘটনায় নিহত হন আঁখি দাস ও তার কিশোরী কন্যা মধুরিমা দাস প্রথমা, সঙ্গে ছিলেন অটোরিকশা চালক সজল গোপ রায়। তারা কেউই এভাবে অকালে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। একটি পরিবারের দুটি প্রজন্ম একসঙ্গে নিভে যাওয়া কেবল একটি দুর্ঘটনা নয় - এটি আমাদের সড়ক ব্যবস্থার ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি। সুনামগঞ্জে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অগণিত মানুষ। সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কও অনিরাপদ হয়ে উঠছে। এসব ঘটনার প্রত্যেকটির পেছনে মূল কারণ একই- বেপরোয়া গতি, সড়ক আইন অমান্য, এবং কার্যকর নজরদারির অভাব। প্রশ্ন হলো- যতবারই দুর্ঘটনা ঘটে, পুলিশ মামলা করে, চালক গ্রেপ্তার হয়; তারপরও কেন মৃত্যুর মিছিল থামছে না? কেন আমাদের সড়কগুলো মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হচ্ছে? সড়ক নিরাপত্তার জন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কঠোর হতে হবে, পাশাপাশি সড়ক অবকাঠামো সংস্কার জরুরি। অন্যদিকে যাত্রীবাহী ছোট যানবাহন যেমন সিএনজি, যাদের জীবিকা এই গাড়ির ওপর নির্ভরশীল, তারা প্রায়শই বিশাল ট্রাক বা বাসের সঙ্গে একই সড়ক ভাগ করে চলে। কিন্তু তাদের জন্য কোনো আলাদা লেন বা সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই। ফলে প্রতিটি যাত্রা তাদের কাছে মৃত্যুঝুঁকি বহন করে। এখন সময় এসেছে সরকারের পাশাপাশি সমাজেরও এই প্রশ্ন করার- এভাবে আর কত? আমরা কি প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কয়েকদিন শোক পালন করে আবার আগের মতো চলতে থাকব? নাকি এবার সত্যিই পরিবর্তন চাইব? প্রতিটি প্রাণের মূল্য আছে। আঁখি দাস, মধুরিমা বা সজল গোপকে হারানোর বেদনা শুধু তাদের পরিবারের নয়, আমাদের পুরো সমাজের। তাই এখনই প্রয়োজন সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কঠোর ব্যবস্থা, নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ এবং বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা। নইলে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে আমাদের মহাসড়কগুলো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ