সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি বন্ধে কঠোর হোন

  • আপলোড সময় : ৩০-০৯-২০২৫ ০১:১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০৯-২০২৫ ০১:১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি বন্ধে কঠোর হোন
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন ফার্মেসিতে চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ফিজিশিয়ান স্যা¤পল বা নমুনা ঔষধ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে - এমন চিত্র উঠে এসেছে গতকাল সোমবার প্রকাশিত দৈনিক সুনামকণ্ঠ’র প্রতিবেদনে। এই অনৈতিক ও বেআইনি বাণিজ্য শুধু রোগীকে প্রতারিত করছে না, বরং জাতীয় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক সংকট ডেকে আনছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফিজিশিয়ান স্যাম্পলের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। নতুন কোনো ঔষধ বাজারে আসার আগে ডাক্তারদের হাতে এসব স্যাম্পল তুলে দেওয়া হয় যাতে তারা কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যাচাই করতে পারেন। পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে সহায়তা করার নৈতিক সুযোগও থাকে এ ব্যবস্থার মধ্যে। কিন্তু বাস্তবে স্যাম্পলগুলো ফার্মেসিতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সাধারণ ঔষধের মতো। ফলে যে উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা আজ ধূলিসাৎ। এই অনিয়মের তিনটি বড় ক্ষতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রথমত, স্যাম্পল ঔষধ বাজারজাত পণ্যের মতো মান যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যায় না। এতে মেয়াদোত্তীর্ণ বা নি¤œমানের ঔষধ রোগীর হাতে পৌঁছে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এসব ঔষধ বিক্রি হওয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তৃতীয়ত, এ প্রক্রিয়া ঔষধ শিল্পের নৈতিকতা ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং চিকিৎসক-ফার্মেসি-ঔষধ কোম্পানি - সবখানেই দুর্নীতির জায়গা তৈরি করছে। ফার্মেসিতে পড়ে থাকা Not for sale’ লেখা মোড়ক কিংবা র‌্যাকে সাজানো স্যাম্পল ঔষধের দৃশ্য প্রমাণ করে প্রশাসনিক নজরদারি কার্যকর নয়। ঔষধ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের অভিযানের তৎপরতা থাকলেও এর প্রভাব খুব সীমিত। অন্যদিকে অসাধু প্রতিনিধি ও চিকিৎসকদের যোগসাজশে এই অবৈধ ব্যবসা দিন দিন বিস্তার লাভ করছে। আমাদের স্পষ্ট দাবি, ফিজিশিয়ান স্যা¤পল বিক্রির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি অবলম্বন করতে হবে। এজন্য, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অনিয়ম ধরা ও জরিমানা নয়, বরং ফার্মেসির লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঔষধ কোম্পানি ও প্রতিনিধিদের কার্যক্রমে কড়া নজরদারি প্রয়োজন। ডাক্তারদের নৈতিক অবস্থান জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, যাতে তারা স্যাম্পল বাজারে ছাড়তে না পারেন। সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে- ‘ফিজিশিয়ান স্যাম্পল’ লেখা ঔষধ কেনা মানে নিজেকে ঝুঁকির মুখে ফেলা। জনস্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার কারো নেই। রোগীর আস্থা ও জীবনের নিরাপত্তা সবার আগে। তাই সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি অবিলম্বে বন্ধ করা রাষ্ট্র ও সমাজের যৌথ দায়িত্ব।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ