সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ
দেখার হাওর ধ্বংস করবেন না

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন হতে হবে বিজ্ঞ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে

  • আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৫ ০৮:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-১০-২০২৫ ০৮:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন হতে হবে বিজ্ঞ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জেলাবাসীর স্বপ্ন। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের পথে এলেও এখন তা জটিল দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত জায়গা শান্তিগঞ্জের জয়কলস এলাকায়, যা দেখার হাওরের অন্তর্ভুক্ত। এখানেই প্রশ্ন- হাওর ভরাট করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কি টেকসই হবে? হাওর কেবল কৃষি বা মাছের আধার নয়; এটি এক অনন্য বাস্তুতন্ত্র। সুনামগঞ্জের দেখার হাওর ৪৫ হাজার হেক্টরের বেশি বিস্তৃত, যেখানে বছরে লক্ষাধিক মেট্রিক টন ধান ও বিপুল পরিমাণ মাছ উৎপাদিত হয়। এই হাওরের পানিপ্রবাহ ও নদীর সংযোগ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো দিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়, তবে কৃষি ও মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হবে। বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি হবে অপূরণীয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশেষজ্ঞরাও হাওর ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের বিপক্ষে। অন্যদিকে শান্তিগঞ্জ ও আশপাশের মানুষ যুক্তি দিচ্ছেন- সুনামগঞ্জ জেলা মূলত হাওরবেষ্টিত, তাই বিকল্প জমি সীমিত। তাদের বিশ্বাস, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা গোটা অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটাবে। এ দৃষ্টিভঙ্গি খাটো করা যায় না, তবে উন্নয়নের নামে প্রকৃতি ধ্বংস করলে সেই উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হবে না। পরিবেশ বিনষ্ট হলে এর মাশুল গুনতে হবে কৃষক, জেলে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। এখন প্রয়োজন সমঝোতা ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যা¤পাস হোক দ্রুত, তবে তা অবশ্যই টেকসই ও পরিবেশবান্ধব হতে হবে। সুনামগঞ্জ সদর বা আশপাশের উঁচু খাস জমি- যেখানে কৃষি ও পরিবেশের ক্ষতি হবে না, সেই বিকল্প জায়গা বিবেচনায় আনা জরুরি। উন্নয়ন ও প্রকৃতি পর¯পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং টেকসই উন্নয়ন মানেই প্রকৃতিকে সুরক্ষা দিয়ে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। আমরা মনে করি, হাওর জেলায় হাওর ধ্বংস করে বিশ্ববিদ্যালয় করা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভোগান্তিতে ঠেলে দেওয়ার নামান্তর। এখনো সময় আছে- সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণ আলোচনার মাধ্যমে যুক্তিসঙ্গত সমাধান খুঁজে নিতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্যই হবে, তবে তার স্থান নির্বাচন হতে হবে বিজ্ঞ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু হাওর ধ্বংস করে নয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ