সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? ‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ‎হ্যান্ডবলে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন জামালগঞ্জের আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন ‎প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বিশ্বম্ভরপুরে এসআরবি-৯ এর অভিযানে ৩৩ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে জমজমাট নৌকা বাইচ সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কারে কচ্ছপের গতি

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন : দ্রুত সমাধান চাই

  • আপলোড সময় : ২৩-১০-২০২৫ ০৭:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-১০-২০২৫ ০৭:৪৬:০৭ পূর্বাহ্ন
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন : দ্রুত সমাধান চাই
বিদ্যুতের সংকট এখন জনজীবনের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন ১২টি উপজেলার মানুষ আজ চরম ভোগান্তিতে। প্রতিদিন গড়ে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ে যেন এক নিপীড়ন! ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এখন এমন নিয়মে পরিণত হয়েছে, যার ব্যতিক্রম খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। রাতের পর রাত অন্ধকারে কাটছে শিক্ষার্থীদের সময়। সামনে বার্ষিক পরীক্ষা, অথচ সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে আলো নেই। শহর থেকে গ্রাম-সবখানে একই চিত্র। দিনের বেলাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ অসহনীয় গরমে দিশেহারা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, চালকল মালিক, স্টেশনারি দোকানদার, খামারি, এমনকি সাধারণ চা দোকানদার পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংকটে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যানুযায়ী, সুনামগঞ্জে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার গ্রাহকের চাহিদা ৭০-৭৫ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৩৫-৪০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক ঘাটতি! জাতীয়ভাবে উৎপাদন কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের দুর্ভোগকে যেন কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না। অথচ এই বিদ্যুৎ সংকট শুধু একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, এটি এখন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বারবার “জাতীয় উৎপাদন কম” বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- বছরের পর বছর হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ভর্তুকি ও ‘লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ’-এর প্রতিশ্রুতিগুলো কোথায় হারিয়ে গেল? কেন এখনো বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় এমন দুর্বলতা? এখন প্রয়োজন দায়সারা বক্তব্য নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। জনগণ বিদ্যুতের অনুদান চায় না, তারা চায় ন্যায্য অধিকার - নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। সরকার যদি দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ না নেয়, তবে এই বিদ্যুৎ সংকট কেবল অর্থনীতিকেই নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের স্থিতিশীলতাকেও ভেঙে দেবে। বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এখন সময় এসেছে তার জবাবদিহি করার।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু

‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু