সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

জমি রক্ষায় অসহায় কৃষকের আকুতি

  • আপলোড সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৮:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৮:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন
জমি রক্ষায় অসহায় কৃষকের আকুতি
স্টাফ রিপোর্টার :: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতির স্মৃতি বাঁচাতে জমি রক্ষার আকুতি জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ শহরের নবীনগর এলাকার অসহায় ব্যক্তি সুনু মিয়া। তিনি মৃত মনফর আলী বিরাই মিয়ার ছেলে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তার পিতা যে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তকৃত জমি পেয়েছিলেন, আজ তা একটি প্রভাবশালী মহলের দখলচেষ্টার মুখে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সুনামগঞ্জ শহরতলির মাইজবাড়ি মৌজা, জে.এল. নং ১০৭, খতিয়ান নং ০১, দাগ নং ৬৯০ ও ১৪১। মোট ৩.৫০ একর বাড়ি ও বোরো শ্রেণির জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করা হয় মনফর আলী বিরাই মিয়াকে। সুনু মিয়া জানান, ১৯৮১ সালে সুনামগঞ্জের বালুর মাঠে (বর্তমান সরকারি জুবিলী স্কুল মাঠ) এক জনসভায় তার পিতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে ভূমিহীন হিসেবে খাস জমি পাওয়ার আবেদন জানান। তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রপতি জিয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জমি বন্দোবস্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে তার পিতা জমি পেয়ে ১৯৮২, ১৯৮৫ ও ১৯৮৭ সালে সরকারি খাজনাও নিয়মিত পরিশোধ করেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে জমিটির রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন সুনু মিয়া। বসতভিটার পাশে বোরো চাষ করে জীবিকা চালান তিনি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল এই জমি দখলের চেষ্টা করছে। বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নিরক্ষর হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে না পারায় দখলচক্রটি সুযোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করার পর প্রকাশ্যে কিছুটা শান্ত থাকলেও গোপনে এখনও তারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সুনু মিয়ার। কৃষক সুনু মিয়া নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া এই সম্পত্তি যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে, সে জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় সুনু মিয়া।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স