সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নির্মাণ হচ্ছে জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের নিজস্ব ভবন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন

  • আপলোড সময় : ২২-১১-২০২৫ ০৭:০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১১-২০২৫ ০৭:০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত সাম্প্রতিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আবারও প্রমাণ করেছে- খাদ্যে ভেজাল, অসচেতনতা ও অনিয়ম এখনও উদ্বেগজনকভাবে বিদ্যমান। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান হৃদয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কয়েকটি হোটেলকে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার পরিমাণ মাত্র ছয় হাজার টাকা হলেও এর বার্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযানে দেখা গেছে, শহরের বহু হোটেল ও রেস্তোরাঁয় ভোক্তা সম্পূর্ণ না খাওয়া ‘উচ্ছিষ্ট’ ভাত পুনরায় সংরক্ষণ করে নতুন গ্রাহকদের কাছে পরিবেশন করা হচ্ছিল। খাদ্যের এই অপব্যবহার শুধু অনৈতিকই নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বাসি খাবার থেকে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে, যা ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ নানাবিধ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। একটি সভ্য সমাজে নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই বাস্তবতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে প্রশ্ন হলো- এ ধরনের অভিযান কি যথেষ্ট? উত্তর স্পষ্ট- না। কারণ জরিমানার ভয়ে একদিন বন্ধ থাকা অনিয়ম পরদিনই ফিরে আসতে পারে। তাই এই অভিযানকে নিয়মিত করতে হবে এবং নজরদারির আওতা বাড়াতে হবে। শুধু জরিমানাই নয়, প্রয়োজন মালিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ। এখানে ভোক্তাদের ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি সচেতন হন, অভিযোগ করেন এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তবে ব্যবসায়ীরা কৌশলে অনিয়ম করার সাহস পাবেন না। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের কার্যকর প্রয়োগ, প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ এবং জনগণের অংশগ্রহণ - এই তিনের সমন্বয়েই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে- এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং আশা করি অন্যান্য উপজেলাতেও একইভাবে কঠোর তদারকি জোরদার করা হবে। জনস্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে খাদ্য পরিবেশনায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের এখনই সময়। খাদ্য নিরাপত্তা কোনো দয়া নয়, এটি জনগণের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কার্যকর পদক্ষেপ চলমান থাকুক - এই প্রত্যাশাই রইল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা, থানায় অভিযোগ