সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

দোয়ারাবাজারে মাটি চাপায় শ্রমিক আহত

  • আপলোড সময় : ০৪-১২-২০২৫ ০২:১১:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-১২-২০২৫ ০২:১১:২৮ পূর্বাহ্ন
দোয়ারাবাজারে মাটি চাপায় শ্রমিক আহত
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চেলা নদীতে বালু উত্তোলন করতে গিয়ে মাটি চাপায় গুরুতর আহত হয়েছেন কামাল হোসেন (২৮) নামের এক শ্রমিক। বুধবার (৩ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত কামাল হোসেন পূর্বচাইরগাঁও গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চেলা নদীর ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা অংশে পাড় কেটে মাটি খুঁড়ে বালু উত্তোলন করে শ্রমিকরা। প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে কামাল হোসেনও মাটি খুঁড়ে বালু তুলছিলেন। এসময় হঠাৎ নদীর পাড় ভেঙে তার ওপর ধসে পড়ে। মাটি চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করেন। স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, গত কয়েক বছর ধরে ইজারার নামে চেলা নদীর তীরে নির্বিচারে বালু উত্তোলন চলছে। একসময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ছিল এই নদীঘাট। তবে অবৈধ ও অতিরিক্ত বালু উত্তোলনের কারণে নদী ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে সারপিনপাড়া, পূর্বচাইরগাঁও, সোনাপুর, নাছিমপুর, রহিমের পাড়া ও পূর্বসোনাপুর গ্রামের শতাধিক বসতভিটা এবং বহু একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় নদীর তীরবর্তী মানুষের জীবন ও সম্পদ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য