সুনামগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ , ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ‎জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সঙ্গে নবনিযুক্ত ইউএনওর মতবিনিময় সভা নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী লিবিয়া-গ্রিসে মানবপাচার, ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ১ চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সুনামগঞ্জ সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের ৭ দফা দাবি যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী দোয়ারাবাজারে ভিডিও কনফারেন্সে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রকে মারধর ‎ক্ষতিগ্রস্ত বর্গাচাষীদের পাশে ইউএনও সঞ্জয় ঘোষ ইরা’র ‘লাইট’ প্রকল্পের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত, প্রতিবাদে মানববন্ধন লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ দিনে ৭-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং অতিষ্ঠ জনজীবন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর হচ্ছে সেতু সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক

হৃদপিন্ডে দুটি ছিদ্র, স্ট্রোক করে বিকলাঙ্গ টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না ছোট্ট লামিয়ার

  • আপলোড সময় : ০৭-১২-২০২৫ ০২:১৪:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-১২-২০২৫ ০২:১৪:১৮ অপরাহ্ন
হৃদপিন্ডে দুটি ছিদ্র, স্ট্রোক করে বিকলাঙ্গ টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না ছোট্ট লামিয়ার
স্টাফ রিপোর্টার :: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে আট বছরের ফুটফুটে শিশু লামিয়া জান্নাত (মাওয়া)। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের শিশু লামিয়া জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত। হৃদপিন্ড দুটি ছিদ্র নিয়ে জন্ম নেওয়া লামিয়া, সম্প্রতি রোগের তীব্রতায় স্ট্রোক করে তার শরীরের এক পাশ বিকলাঙ্গ হয়ে পড়েছে। এক দিকে হৃদপিন্ডের ত্রুটি, অন্যদিকে বিকলাঙ্গতা- এমন যন্ত্রণা নিয়ে ছোট্ট লামিয়া এখন বিছানায় শুয়ে শুধু বাঁচার জন্য অপেক্ষা করছে। এমন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করা হলে যেকোনো মুহূর্তে প্রাণ হারাতে পারে এই ছোট্ট শিশুটি। অস্ত্রোপচার করতে প্রয়োজন প্রায় ১০ লাখ টাকা। কিন্তু শিশু লামিয়ার চিকিৎসার ব্যয় বহন করার সামর্থ্য নেই পরিবারের। একমাত্র চাচা সোহেল মিয়া’র সামান্য কৃষিকাজের আয়ে কোনোভাবে দিন কাটছে তাদের। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের কাছে অলীক স্বপ্ন। লামিয়ার পরিবার জানায়, গত বছর লামিয়া সুনামগঞ্জের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এনামুল হক খান এবং পরবর্তীতে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইউকে পালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, লামিয়ার হৃদপিন্ড জন্মগতভাবে দুটি বড় ছিদ্র রয়েছে। এর ফলে রক্ত সঞ্চালনে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত রক্ত মিশে যাচ্ছে, যা রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে শরীরে অক্সিজেনের অভাব ঘটাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটি জটিল ও ব্যয়বহুল হার্ট অপারেশনের মাধ্যমেই কেবল লামিয়াকে বাঁচানো সম্ভব। এই অপারেশনে আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। এদিকে, চিকিৎসা শুরু করার আগেই হৃদরোগের কারণে সম্প্রতি লামিয়া স্ট্রোক করে। তাৎক্ষণিক পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নেওয়া হলেও, ততক্ষণে তার শরীরের এক হাত ও এক পা বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ে। বর্তমানে লামিয়াকে হাঁটাতে বা বসাতেও চরম কষ্ট হচ্ছে। জানা যায়, লামিয়ার বাবা জুয়েল মিয়া অনেক আগেই এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। পরিবারে এখন মা রুশেদা বেগম, শিশু লামিয়া এবং তার ১০ বছর বয়সী বড় বোন। আশ্রয় হিসেবে তারা চাচার বাড়িতে থাকেন। চাচার সামান্য কৃষিকাজ ও তার নিজের অসুস্থতা - সব মিলিয়ে পরিবারটির দিন আনা দিন খাওয়া অবস্থা। এই অসহায় পরিবারটির পক্ষে ১০ লাখ টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। একই গ্রামের বাসিন্দা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত বলেন, লামিয়া আমার সম্পর্কে চাচাতো বোন হয়। আমাদের বাড়ির পাশেই তাদের বাড়ি। শুরু থেকেই তার চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে ডাক্তারদের সঙ্গে পরামর্শ করে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করে আসছি। তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে আমি খুব ভালোভাবেই জানি, তারা তিনবেলা খাবার খেতে পারাটাই নিজেদের ভাগ্য মনে করে। সেখানে ১০ লাখ টাকার উন্নত চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে কল্পনারও বাইরে। আমি আশাবাদী, আল্লাহর রহমতে কোনো হৃদয়বান মানুষ এগিয়ে এসে বলবেন- লামিয়ার সমস্ত চিকিৎসার ব্যয় আমি বহন করব। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে লামিয়া আবার সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে লামিয়ার মা রুশেদা বেগম বলেন, দয়া করে আমার লামিয়াকে বাঁচান। আমি আমার মেয়েকে হারাতে চাই না। আপনাদের একটু সাহায্যেই আমার মেয়ে আবার হাঁটতে পারবে, বাঁচতে পারবে। আর্থিক সহায়তার জন্য লামিয়া জান্নাতের মা রুশেদা বেগম এর সাথে মুঠোফোন ০১৭৩৬৩৬২২০৫ নাম্বারে যোগাযোগ করা যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা

নিজের অর্থে গড়া বাড়িতেই উঠতে পারছেন না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদা