সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা
ঠান্ডা জনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে

হাসপাতালে শয্যা সংকটে মেঝেতে চলছে চিকিৎসা

  • আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৭:৪৫:০২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৭:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন
হাসপাতালে শয্যা সংকটে মেঝেতে চলছে চিকিৎসা
স্টাফ রিপোর্টার ::
দেশের পিছিয়ে পড়া জেলা সুনামগঞ্জ। হাওরের এই জেলা প্রায় ২৫ লাখ মানুষের বসবাস। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল। প্রান্তিক এই জেলায় শীতের শুরুতেই ঠান্ডা জনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা। এতে জেলার প্রধান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে তীব্র শয্যা সংকট। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে আগের চেয়ে শিশু ও বয়স্ক রোগীর চাপ তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের মানুষজন শীতজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভিড় করছেন। নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় ওয়ার্ডগুলোতে জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ও মেডিসিন ওয়ার্ডে শয্যা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেক রোগীকে মেঝেতে চাদর বা ম্যাট্রেস পেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি চিকিৎসা সেবাও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন অনেকে।
ঠান্ডা-জনিত রোগে নিজের ছোট্ট শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি সদর উপজেলার নুরুল্লা গ্রামের আব্দুল মতিন বলেন, হাসপাতালের অবস্থা ভয়াবহ। পা ফেলার মতো জায়গা নেই, শুধু রোগী আর রোগী। আমার বাচ্চাকে নিয়ে দুদিন আগে এসেছি। কোনরকম একটা সিট পেয়েছি। চিকিৎসা চলছে। এখনো কোন পরিবর্তন নেই। মারাত্মক ভোগান্তিতে আছি।
হাসপাতালে ভর্তি আরেক রোগীর স্বজন জিহান আহমদ বলেন, শীত বাড়তেই আমার শিশুটি শ্বাসকষ্টে ভুগছে। হাসপাতালে এসে দেখি শয্যা নেই, মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে। পরিবেশও ভালোনা। বাচ্চাটাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
এ ব্যাপারে কথা হলে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বণিক বলেন, শীতের শুরুতে হাসপাতালে ঠান্ডা-জনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতি রেখেছি। তবে রোগীর চাপ খুব বেশি। আমরা আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। শিশুদের অভিভাবকদের পরামর্শ দেব তারা যেন এই ঠান্ডা-থেকে শিশুকে মুক্ত রাখেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স