সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে আড়াই কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ

জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

  • আপলোড সময় : ২৩-১২-২০২৫ ০৮:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-১২-২০২৫ ০৮:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন
জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা
স্টাফ রিপোর্টার:: সুনামগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের গুদামে বিপুল পরিমাণ ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ওষুধ নষ্ট হওয়ার কারণ চিহ্নিত করে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ জেলা প্রশাসকের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় কমিটির সদস্য সচিব ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শুকদেব সাহা এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চাতক চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জেলা সদর হাসপাতালের গুদামে বিপুল পরিমাণ ওষুধ নষ্ট হওয়ার খবর প্রকাশিত হলে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন পুলিশ সুপারের একজন প্রতিনিধি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে নয়) এবং ডেপুটি সিভিল সার্জন। ডেপুটি সিভিল সার্জনকে কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটিকে ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণ অনুসন্ধান, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে কী করণীয়, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দিতে বলা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শুরুর দিকে মেয়াদোত্তীর্ণ এসব ওষুধ ও প্যাথলজি সামগ্রী হাসপাতালে সরবরাহ করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। হাসপাতালের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়কের মৌখিক নির্দেশে তৎকালীন স্টোরকিপার সুলেমান আহমদ ওষুধগুলো সংগ্রহ করে হাসপাতালের গুদাম ও বারান্দায় রেখেছিলেন। পরে ওই বছরের ১২ মে তত্ত্বাবধায়ক (উপপরিচালক) হিসেবে যোগ দেন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান। তিনি এসব ওষুধ ও প্যাথলজি সামগ্রী সরবরাহের কোনো কার্যাদেশ না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেননি। এ জন্য ওষুধগুলো সেখানেই পড়ে ছিল। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। সোমবার তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন আমার কাছে হস্তান্তর করেছেন। এই তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স