সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ , ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতিমূলক সভা বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধা, সুনামগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ সুরমা নদীতে টোল আদায় করতে না পেরে বিপাকে ইজারাদার ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত তরুণ-তরুণীর বিয়েকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত ২০ হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ নির্মাণকাজে অনিয়মের সত্যতা মিলেছে, বন্ধ ঠিকাদারের বিল শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৪৬৯ পোশাক কারখানা প্রতি মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে সরকারি কার্যালয়ে বীজের মজুত ও বিক্রির অভিযোগ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মওসুমের এক মাস আগেই শুকিয়েছে বীজতলা, বিপাকে হাওরের কৃষক সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি আড়াল করতেই এমপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার, লুটপাটকারীদের বিচারের দাবি জন্মান্ধ স্বামী, এক চোখে দেখেন স্ত্রী, মানুষের সাহায্যে চলে সংসার শঙ্কা মাথায় নিয়ে বোরো আবাদের প্রস্তুতি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা পোশাক কারখানা সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাবা-মা-ভাইবোনসহ ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার, সঙ্গে ৩ বন্ধুও শীতকালীন সবজি চাষে নেই প্রণোদনা, ভালো দাম, প্রকৃতি ভরসা কৃষকের জাতীয় যুব দিবস পালিত ছাতকে আমন ধান কাটা উৎসব

বাড়ছে ঘন কুয়াশা, আরও ২-৩ দিন থাকার আশঙ্কা

  • আপলোড সময় : ২৫-১২-২০২৫ ১০:৪১:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১২-২০২৫ ১০:৪১:০৩ অপরাহ্ন
বাড়ছে ঘন কুয়াশা, আরও ২-৩ দিন থাকার আশঙ্কা
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: দেশজুড়ে বাড়ছে ঘন কুয়াশার চাদরের পরিধি। এতে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাড়তে না পারার কারণে শীতের অনুভবতা বাড়ছে। ভারতের উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, উত্তরখ- ও বিহার থেকে আসা কুয়াশার চাদর দেশের উত্তরবঙ্গ, সিলেট, ঢাকার উত্তরাংশ হয়ে কুমিল্লা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। গত চার দিন ধরে অব্যাহত থাকা এই ঘন কুয়াশা আরও দুই থেকে তিন দিন থাকতে পারে বলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এদিকে ঘন কুয়াশা বাড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। আবহাওয়াবিদরা জানান, দিনের সবচেয়ে বেশি কুয়াশা থাকে সূর্যোদয়ের সময়। এর কারণ জানতে চাইলে ঢাকা বিমান বন্দর আবহাওয়া স্টেশনের পূর্বাভাস কর্মকর্তা এস এইচ এম মোসাদ্দেক বলেন, রাতের তিনটার পর থেকেই ঘন কুয়াশা বাড়তে থাকে। তবে এই কুয়াশার সাথে সূর্যোদয়ের সময় একটি লাভা যুক্ত হলে কুয়াশার ঘনত্ব দ্রুত বেড়ে যায়। এজন্য সূর্যোদয়ের আগ থেকে শুরু করে সকাল প্রায় ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বেশি থাকে। এ দিকে দেশের কুয়াশার ভিজিবিলিটি উপাত্ত নিয়ে থাকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৬২টি স্টেশনে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় থাকা এসব স্টেশন থেকে কি উপাত্ত পাওয়া গেছে জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বিকেলের তুলনায় সকালে ভিজিবিলিটি সবচেয়ে কম থাকে। উপাত্তে দেখা যায় গত বুধবার সকাল ৬টায় পঞ্চঘরের তেঁতুলিয়ায় ও ময়মনসিংহে সবচেয়ে কম ভিজিবিলিটি ছিল। এই দুই স্থানে রেকর্ড হয়েছে মাত্র ২০০ মিটার। অর্থাৎ সকাল ৬টায় ২০০ মিটারের দূরে আর কিছু দেখা যায়নি। তিনি আরও বলেন, এছাড়া একই সময়ে রাজশাহীর বদলগাছীতে ছিল ৪০০ মিটার, রংপুরে ৫০০ মিটার, যশোর ও সিলেটে ছিল ৬০০ মিটার এবং ঢাকায় ছিল ৩০০০ মিটার। এসব এলাকায় আবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভিজিবিলিটি অনেক বেড়ে গেছে। আমাদের দেশের এই ঘন কুয়াশা কিন্তু আমাদের নয়। এগুলো ভারতের উত্তরখ-, উত্তর-পূর্ব ঝাড়খ-, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি ও বিহার হয়ে আমাদের দেশে প্রবেশে করেছে বলে মন্তব্য করেন সাউথ এশিয়ান মেটিওরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম স¤পাদক ড. মোহন কুমার দাশ। তিনি বলেন, এই ঘন কুয়াশা আমাদের দেশের উত্তরবঙ্গ, সিলেট, ঢাকার উত্তরাংশ ও কুমিল্লা এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে গেছে। তবে তা বড়জোর দেশের মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এর বেশি হওয়ার সুযোগ নেই। কবে নাগাদ এই ঘন কুয়াশা কেটে যেতে পারে জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, সাধারণত যেসব এলাকায় ঘন কুয়াশা রয়েছে সেসব এলাকায় যদি বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয় কিংবা বাতাসের প্রবাহ বাড়ে তাহলে হয়তো এই ঘন কুয়াশা কেটে যেতে পারে। তবে এখনই ভারতীয় উপমহাদেশের কোথাও বৃষ্টি হওয়ার লক্ষণ নেই, কিন্তু বাতাসের প্রবাহ বাড়তে পারে। সে হিসাবে আগামী দুই থেকে তিন দিন ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। চলতি মাসে হচ্ছে না শৈত্য প্রবাহসাধারণত কোনও এলাকায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে ওই এলাকায় শৈত্য প্রবাহ বিরাজ করে। চলতি মাসে তেতুলিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলেও আশপাশের কোনও এলাকায় তাপমাত্রা কমেনি। তাই শৈত্যপ্রবাহ হয়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে চলতি মাসের শেষার্ধে এক বা দুটি মৃদু বা মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে বলা হয়েছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, চলতি মাসে আর শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। তবে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, কোনও অঞ্চলে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা যদি ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তখন ওই এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। আর যদি তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয় তখন ওই এলাকায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং কোনও এলাকায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। দেশে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল হলেও জানুয়ারি মাস বছরের সবচেয়ে শীতলতম মাস। বছরের এ সময়ে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময়ে সাধারণত উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শীতল বাতাস প্রবেশ করে থাকে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ

হাওরে বোরোর মনগড়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ক্ষোভ