সুনামগঞ্জ , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ , ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাল্লায় নিরীহ পরিবারের বাসা দখলে ঘোষণা দিয়ে হামলা ত্যাগী নেত্রীদের মূল্যায়ন চায় বিএনপি’র তৃণমূল দালালের ফাঁদে নিঃস্ব অভিবাসন প্রত্যাশীরা, হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা দিরাইয়ে পৃথক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল’ পাস শান্তিগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ কর্তন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, মেরামতের নির্দেশ উদ্বোধন হলো ‘মা ও শিশু হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ হাওরে দেশি ধান কাটা শুরু দোয়ারাবাজারে অভিযুক্ত শিক্ষককে কর্মস্থলে ফেরানোর চেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বাধা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষক নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন সাইফুল ইসলাম নিজেদের টাকায় সরকারি সড়ক সংস্কার করলেন এলাকাবাসী ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ সংসদে পাস সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা : আদালতে নির্দোষ দাবি আরিফ, গউস ও বাবরের নদী খনন উপেক্ষিত ইউনূস সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করবে সরকার সুনামগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় দেড় লাখ টাকা জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধ ড. ইউনূস, সাবেক উপদেষ্টা ও প্রেস সচিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে নোটিশ আজহারীর পর শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া

শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা

  • আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৮:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন
শীতের দাপটে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা
স্টাফ রিপোর্টার ::
পৌষের মাঝামাঝিতে সুনামগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। টানা তিনদিন ধরে হিমেল হাওয়া আর কুয়াশার দাপটে জনজীবনে কিছুটা স্থবিরতা আসলেও, প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে শহরের ফুটপাতের কাপড়ের দোকানগুলোতে। হাড়কাঁপানো শীত থেকে বাঁচতে সাশ্রয়ী মূল্যে গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় করছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট, ডিএস রোড, কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন ফুটপাতগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ভ্যানগাড়ি ও অস্থায়ী চৌকিতে সাজানো সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, কানটুপি ও কম্বল কেনায় ব্যস্ত সবাই। বিশেষ করে শিশুদের কাপড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কেনাকাটা করতে আসা সাদিকুর রহমান জানান, মার্কেটগুলোতে কাপড়ের দাম অনেক বেশি, কিন্তু ফুটপাতে যাচাই-বাছাই করে সাশ্রয়ী দামে ভালো মানের সোয়েটার ও জ্যাকেট পাওয়া যায়। তাই এখান থেকেই কেনাকাটা করছি। দিনমজুর রফিক মিয়া বলেন, আমরার কি আর এতো টাকা আছে, যে মার্কেট থেকে কিনমু! ভ্যানগাড়ি থেকে ১০০-২০০ টাকার মধ্যেই কিনতে হইবো। বিক্রেতারা জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রিও বহুগুণ বেড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
বড়দের জ্যাকেট প্রকারভেদে ১০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং শিশুদের সেট ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তারা। বিক্রেতা লতিফ মিয়া বলেন, তিন-চার দিন ধরে কিছু বিক্রি হচ্ছে। এখন মোটামুটি ৩-৪ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করা যাচ্ছে। এমন শীত থাকলে আরও বেশি বেচা যাবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় ও গ্রামেগঞ্জের মানুষের মাঝে আমরা শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসন সবসময় থাকবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স