সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”
সুনামগঞ্জ-১ ও সুনামগঞ্জ-৩

১০ দলীয় জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন

  • আপলোড সময় : ২২-০১-২০২৬ ০৯:১২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০১-২০২৬ ০৯:১২:১৪ পূর্বাহ্ন
১০ দলীয় জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ-১ ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ১০ দলীয় জোটের ভেতরে অস্বস্তি ও দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। জোটগত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে জামায়াতে ইসলামী ও এবি পার্টির প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় এই দুই আসনে জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২১ জানুয়ারি ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওই দিন ১০ দলীয় জোটকে ছাড় দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে জোটের ভেতরে সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে - বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সুনামগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে নেজামী ইসলামী পার্টির প্রার্থী হিসেবে মাওলানা মোজাম্মিল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করার কথা থাকলেও তারা তা করেনি। ফলে ২২ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাওলানা তোফায়েল আহমদকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে জোটের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় জোট বাংলাদেশ খেলাফত ইসলামের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়। কিন্তু জোটের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এবি পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ২২ জানুয়ারি তাকেও ‘ঈগল পাখি’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সচেতনমহলের মতে, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এবং জোট প্রার্থী মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর মধ্যে। এ অবস্থায় এবি পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম নির্বাচনে সক্রিয় থাকলে ভোট ভাগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থীর বিজয়কে সহজ করে দিতে পারে। সুনামগঞ্জ-১ আসনেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি ভোটারদের মাঝেও আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, জোটগত শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সমঝোতার অভাব থাকলে নির্বাচনী ফলাফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে সরকারবিরোধী ভোট বিভক্ত হলে কাক্সিক্ষত ফল অর্জন কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জের এই দুই আসনে ১০ দলীয় জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই বিভাজন ভোটের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স