সুনামগঞ্জ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ , ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির শহরে জলাবদ্ধতাসহ নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনের দাবি অপরাধমুক্ত সুনামগঞ্জ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জামালগঞ্জে বাঁধ ভেঙে ঢুকছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে বসতভিটা, আমন ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা জেলা পুলিশের অনলাইনভিত্তিক কুইজে প্রথম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে আছিয়ার শেষ আশ্রয়, অনিশ্চয়তায় জীবন ছাতক পৌরসভার টেকসই উন্নয়নে আইইউজিআইপি’র সভা জগন্নাথপুর পৌরসভার ২২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার বাজেট ঘোষণা অস্তিত্ব সংকটে পান্ডারখাল বাঁধ ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশুদের বার্ষিক সমাবেশ, ২ হাজার ৭৫০ শিশুর মাঝে উপহার বিতরণ সক্রিয় মাদক কারবারি চক্র মাদক, ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে গ্রামে দিরাই বিএনপিতে বিরোধ চরমে একপক্ষের বহিষ্কারের সুপারিশ, অপরপক্ষের উন্নয়ন সভার ডাক এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামিয়ে আনা সম্ভব : আইনমন্ত্রী জামায়াতের এমপির ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ভাইরাল, ফেসবুকে যে ব্যাখ্যা দিলেন চেলা নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা ৪৮ পদের মধ্যে ৩৬টিই শূন্য জামালগঞ্জে নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে শতাধিক বসতভিটা

সরিষা চাষে দ্বিগুণ লাভবান হাওর অঞ্চলের কৃষকরা

  • আপলোড সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন
সরিষা চাষে দ্বিগুণ লাভবান হাওর অঞ্চলের কৃষকরা
জালাল উদ্দিন নাসিম :: হাওর জেলা সুনামগঞ্জে কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। ধান চাষের পাশাপাশি পতিত ও অনাবাদি জমিতে সরিষা আবাদ করে কৃষকরা জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছেন। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ছে, অন্যদিকে কৃষকরাও হচ্ছেন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান। সরিষা চাষ সাধারণত বীজ বপন থেকে ফসল কাটার উপযোগী হতে ৭৫ থেকে ১০০ দিন সময় নেয়। এটি জাতভেদে ও চাষাবাদের পরিবেশের ওপর নির্ভর করে কিছুটা কমবেশি হতে পারে। সাধারণত ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরিষা বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। কিছু এলাকায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্তও বপন করা যায়। বীজ বপনের দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই সরিষা ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জ জেলায় প্রায় ২০ হাজার কৃষক ৪ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে জেলায় মোট ২ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ বেশি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় সর্বাধিক ৭২০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ হয়েছে। গত মৌসুমের তুলনায় এবার প্রায় দেড় হাজার হেক্টর বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাওর অঞ্চলে ধান চাষের পাশাপাশি সরিষার আবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কৃষকরা বারি-১৪, বারি-১৭, বারি-১৮ জাতের পাশাপাশি বিনা-৯ জাতের সরিষাও চাষ করছেন। এছাড়া বিনা উপকেন্দ্র, সুনামগঞ্জ কর্তৃক উদ্ভাবিত বিনা সরিষা-০৯ ও বিনা সরিষা-১১ জাতগুলো অল্প সময়ে ফলন দেওয়ায় এবং কম খরচে ভালো লাভ হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কৃষক হালিম মিয়া বলেন, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা খরচ হয় এবং ১৩ থেকে ১৪ মণ ধান পাওয়া যায়। এর বাজার মূল্য ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকার বেশি নয়। অথচ এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয় এবং আয় হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। ধানের তুলনায় সরিষায় কয়েক গুণ বেশি লাভ পাওয়া যায়। তাছাড়া সরিষা চাষে পরিশ্রম ও পরিচর্যা অনেক কম। অন্যান্য কৃষকরাও জানান, সরিষা অনাবাদি ও পতিত জমিতেও ভালোভাবে জন্মে। ধান বা অন্যান্য ফসলের মতো নিয়মিত সেচ, সার প্রয়োগ কিংবা সারাদিন জমিতে পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। কম কষ্টে বেশি লাভ হওয়ায় তারা এখন সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর সরিষা চাষ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কৃষকদের আমরা উন্নত জাতের বীজ সরবরাহ করেছি এবং নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছি। ভবিষ্যতে সরিষা চাষ আরও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ

উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ