সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

একটি দলের আমির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন : বিএনপি

  • আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:১৮:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:১৮:০৭ পূর্বাহ্ন
একটি দলের আমির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন : বিএনপি
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: নির্বাচনি প্রচারে একটি রাজনৈতিক দল ‘ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছে’ বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। সেই দলটির আমির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগও করেছে বিএনপি। বুধবার বিকালে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব অভিযোগ তোলেন। কোনো রাজনৈতিক দলের নাম না নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে তিনি বলেন, ২০০১-০৫ সাল পর্যন্ত ওই দলটি নিজেই সরকারের অংশ ছিল। এখানে তাদের দুইজন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ছিল। সরকারে থাকা অবস্থায় তখন এ বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য শোনা যায়নি। কিন্তু বর্তমানে তারা নির্বাচনি মাঠে এসে ফ্যাসিবাদী প্রচারণার সেই ধারাবাহিকতাকে ধরে রেখেছে। আমরা এই ভূমিকাকে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছি। মাহদী আমিন বলেন, ভোট চাইতে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট দলটি ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার, জান্নাতের প্রলোভন, কোরআন শরিফে শপথ করানো, এমনকি বিকাশ নম্বরে টাকা দেওয়ার বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে বেড়াচ্ছে। ফলে যারা নিজেরাই টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোট কেনার চেষ্টা করছে, আবার তারাই যখন দুর্নীতির গল্প শোনাচ্ছে সেটি তাদের তথাকথিত সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নির্বাচনি আচরণ বিধি মেনে চলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট হবে। ২২ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রচার শুরু দিনে থেকেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন, আমরা লক্ষ্য করেছি, একটি নির্বাচনি জনসভায় সেই রাজনৈতিক দলটির আমির বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন এবং বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাস্তবতা হল, এই দুটি বিষয়ই ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত এবং এ লক্ষ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম বহমান রয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগও স¤পন্ন করেছে। অতএব বিদ্যমান একটি সরকারি সিদ্ধান্তকে নতুন করে দলীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করে বগুড়াবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা কেন, সেটা প্রশ্ন জাগাচ্ছে। মাহদী আমিন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, নওগাঁ সাপাহার উপজেলার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন আল আমিন চৌধুরীকে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ার কারণে একটি নির্দিষ্ট দলের নেতাকর্মীদের চাপে সেই চাকরি থেকে অব্যাহিত প্রদান করা হয়েছে। এটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের একটি বাজে দৃষ্টান্ত। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রত্যেককে যার যার পেশা, যার যার ধর্ম বা স্বাধীনতা সম্পূর্ণ অক্ষুণœ থাকে সে নিশ্চিতের জন্য অবিলম্বে তাকে পুনঃবহালের দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে সিলেটে একজন প্রার্থীর বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, সেই রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি করেন, যে নির্বাচিত হলে তাকে জিজ্ঞাসা না করে কারো বাড়িতে যেতে পারবে না পুলিশ। এটি নিঃসন্দেহে অসাংবিধানিক এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী যদি এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পান তাহলে প্রশ্নের সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে কাউকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা কোনোভাবেই সমচীন নয়। কিন্তু তাই বলে গ্রেপ্তার করতে হলে কোনো একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর বা সংসদ সদস্যের অনুমতি লাগবে, এ ধরনের বক্তব্য সেই ফ্যাসিবাদী মনোভাবেরই শামিল। আমরা এ বিষয়ে যথা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আহ্বান জানাচ্ছি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স